ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

মানুষ বহুরূপি। এই সব রূপবাজ মানুষের দ্বারা আজ মানবাধিকার কলংকিত হচ্ছে। রাজনের হত্যার মত এমন জগণ্য পাশবিকতা মধ্য যুগের কোন ইতিহাসে আছে বলে মনে হয় না। মনে পড়ছে আমার গত লেখাটির কথা। সেই লেখাটি শিরোনাম ছিলো “মানবিক মানুষ চাই” সেই লেখায় বলেছিলাম আকৃতিগত বৈশিষ্ট নিয়ে মানবিক মানুষ হওয়া যায় না। আকৃতিগত মানুষের মধ্যে আর ইতর প্রাণীর মধ্যে কোন প্রাথক্য নেই। ইতর প্রাণীর যেমন বিবেক বুদ্ধি বলতে কিছু থাকে না তেমনি আকৃতিগত মানুষের মধ্যেও কোন মানবিকতা থাকে না।

 

যারা ১৩ বছরের শিশু রাজনকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে আমি মনে করি ওরা মানুষ না। ওরা ইতর প্রাণীর মত। আমরা জানি সব প্রাণী ইতর নয় আর সব মানুষও মানুষ নয়। যারা মানুষের আকৃতি নিয়ে পশুর মত আচরন করে। আমি মনে করি এই সব আকৃতিগত নর পশুদের বেচে থাকার কোন অধিকার নেই। ওদের এমন শাস্তির দাবি করছি যা দেখে কোন মানুষ এই ধরনের জগণ্য আপরাধ করতে সাহস না পায়। তা যেনো ইতিহাসের পাতায় পরিনত হয়। যাদের মধ্যে বিন্দু মাত্র মানবিকতা নেই! তারা কি মানুষ? আমি মনে করি ওরা মানুষের আকৃতি নিয়ে সমস্ত মানব জাতিকে কলংকিত করছে।

 

দুঃখ্জনক বিষয় যে ওরা বাংলাদেশের পবিত্র মাটিতে জন্ম নিয়েছে। তাই আমি মনে করি চিরুনি অভিযান চালিয়ে এই সমস্ত অমানুষদের বাংলাদেশ থেকে বের করে দেয়া উচিত। থাক তার রাজনৈতিক পরিচয়, হোক সে এলিট। কোন পরয়া করি না এই সবের। অমানুষদের কোন স্থান নেই বাংলার মাটিতে। বাংলাদেশে থাকতে হলে মানুষের মত মানুষ হয়ে থাকতে হবে। মানবিক মানুষ হতে হবে। নর পশুদের বাংলার মাটিতে আর দেখতে চাই না। আর কলংকাত করতে চাই না বাংলার মাটিকে। আমাদের শিশু, আমাদের ভাই ১৩ বছরের ছেলে রাজন হত্যা থেকে যেনো আমরা সেই শিক্ষা নিতে পাড়ি। বাংলার বুকে আর কখনো কোন রাজন কে যেনো এভাবে প্রাণ দিতে না হয়।