ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

৭ই এপ্রিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছিলেন ‘সাগর-রুনির হত্যাকারীদের শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে’। ‘চা’ খাওয়ার পর এমন আশ্বাসেই সাংবাদিক নেতারা তাদের আন্দোলন একমাস স্থগিত করেছিলো।

সাংবাদিক নেতাদের মন্ত্রী বলেছিলেন, ”তদন্তের অগ্রগতি আছে। শিগগিরই আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।”

অথচ ১৮ই এপ্রিল আদালতে ডিএমপির মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্তে আমরা ব্যর্থ।’

‘চা’ খাবার পর মন্ত্রীর কথায় আশ্বস্ত বিএনপিপন্থী সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী ও আওয়ামী লীগ পন্থী সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেছিলেন, “মন্ত্রীর আশ্বাসের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি আমরা ৫ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছি।”

প্রশ্ন হলো, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি সেদিন সাংবাদিক নেতাদের মিথ্যা বলেছিলেন? এমন কোন কৌশলে তিনি (মন্ত্রী) মিথ্যা বলেছিলেন যাতে আমাদের ‘অভিজ্ঞ’ সাংবাদিক নেতারা ‘কনভিন্সড’ হয়ে হাসিমুখে আন্দোলন পিছিয়েছিলেন?

কোন তথ্য প্রমাণ কি উপস্থাপন করেছিলেন সাহারা খাতুন? যদি না হয় তাহলে আন্দোলন পেছানোর পেছনের “রহস্য” জানতে চাই।

যদি তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয় তাহলে ডিএমপির মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম কেনো বললেন ‘আমরা ব্যর্থ’।

কার কথা সত্যি? মন্ত্রীর? নাকি পুলিশের?

যদি পুলিশের কথা সত্যি হয়, তাহলে মিথ্যা বলার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংসদে ‘অভিশংসন’ বা ‘ইমপিচ’ করার বিধান আছে কি? যদি থাকে তাহলে তার দাবি জানাচ্ছি। কারণ দায়িত্বশীল পদে থেকে এতো বড় ঘটনায় মিথ্যাচার জাতির জন্য দু:খজনক, লজ্জাজনক।