ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

”বরষার প্রথম দিনে ঘন কালো মেঘ দেখে, আনন্দে যদি কাঁপে তোমার হৃদয়, সেদিন তাহার সাথে করো আলিঙ্গন” হুমায়ুন আহমেদের লেখা অনুসরন করে সবাই বর্ষার সাথে পরিচিত হতে ব্যাস্ত। যে ছাতা ব্যবহার করা মানুষ প্রায় ভুলেই গিয়েছিল। সে ছাতা ব্যবহার করতে দেখা গেছে সবাইকে। কারো মনে ছিলনা ক্লান্তি। সবাই পথ চলছিল খুশি মনে। আবার অনেককে দেখা গেছে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে পথ চলতে। শিশুরাও বৃষ্টিতে ভিজছে আর ছাতা নিয়ে ছুটাছুটি করছে সারা দিন। সব কিছু মিলিয়ে যেন এক অন্যরকম সুন্দর একটি দিন। চাষিদেরও বৃষ্টির অপেক্ষার পালা শেষ.. মাঠের গান ”আল্লাহ মেঘ দে, পানি দে, ছায়া দেরে তুই”। কৃষকের মনে আনন্দ, বৃষ্টি বেশি হলে ঘরে ফসলও উঠবে অধিক। জেলে পল্লীগুলোতেও লেগেছে আনন্দের ছোঁয়া । বৃষ্টি বাতাস বেশি মানেই জাল ভর্তি মাছ। গত কয়েক মাসের প্রচন্ড গরমে যখন জন-জীবন অতিষ্ঠ ঠিক তখনই বর্ষার আগমনী বার্তায় ঋতু নিজেকে প্রকাশ করল এক পশলা বৃষ্টি আর সারাদিন মেঘলা আকাশের মধ্য দিয়ে। গতকাল শনিবার আষাঢ়ের দ্বিতীয় দিন ভোলায় সকালে এক পশলা বৃষ্টি, গরমের দুর্বিসহ জীবনে বুলিয়ে দিয়েছিল শান্তির পরশ। প্রত্যেকটি মানুষ যেন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। আর এর ভেতর দিয়ে শুরু হলো বর্ষা কাল। টানা বৃষ্টির অত্যাচারে এক সময় হয়তো জন-জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠবে। আবার এর থেকেও মানুষ পরিত্রাণ চাইবে। আর এভাবই চলবে আমাদের জীবন। নতুন কে বরন করে নেয়া আর পুরাতনকে ছুড়ে ফেলে দেয়া।