ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

যতই চিল্লা ফাল্লা করেন না কেন, লাভের মুখ দেখবেন না। কারণ-এটাই নিয়মে দাঁড়িয়েছে। আপনারাও ছাড়েন নাই, ইনিরাও ছাড়বেন না। প্রতিবাদ, আন্দোলন, হরতালে কিছুই হবে না। নির্ধারিত সময়ের আগে গদি ছাড়বে না। শুধু শুধু দূর্ভোগ পোহাবে আমজনতা। পুলিশের সন্ত্রাসমূলক কর্মকান্ড, রাস্তাঘাটের দুরাবস্থা সত্ত্বেও কিছুই হয়নাই মনোভাবে জনতার দাবী উপেক্ষিত হচ্ছে এবং হবে। জনতার কথা ভেবে তাঁদের কিছুই যায় আসে না। আসার দরকারও নেই। আমজনতাও অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। বাঙ্গালি জাতি চরম ধৈর্ষশীল সেটা উনারআ জানেন বিধায় কর্ণপাত করেন না। দ্বিতীয় পক্ষও সেটা ভালভাবেই জানেন। নিজেদের স্বার্থ হাসিলে এতো চিল্লা ফাল্লা, হইচই, মিথ্যা কথার জন্ম দেয়া, জনতাকে সহিংতার দিকে ঠেলে দেওয়া- উনাদের রাজনৈতিক নামক সংগঠনের কর্মপরিকল্পনার অংশ। আমজনতা বেকুবের মতো মাতলামি করে, লাফালাফি করে, নিজেদের মাথা নিজেরা ফাটায়। দেশের উন্নয়নের জন্য দীর্ঘ পরিকল্পনার অভাব। একদল যদি ডানে যায়, আর একদল যায় বায়ে। কেউ কাউরে নাহি ছাড়ি অবস্থা। জননীদ্বয় আর কতকাল এমনি করে পিষ্ট হবো? আর কতকাল মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন পূরণের কথা শুনবো। এখনো কি স্বপ্নপূরণের সময় আসে নাই? ইতিহাস নিয়া এতো টানাটানি, কাঁদা ছোড়াছুড়ি হয় কিন্তু লাখো শহীদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে কেউ কখনো আগবাড়িয়ে আইলো না। এতো দৌড়াই তবুও মুলোর নাগাল আমজনতা পায় না। আপনাদের এতো জনপ্রিয়তা, এতো এতো সমর্থক, ভোট ব্যাংক। আপনাদের ঠেকায় কে??? ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ কইরা দেশ চালানোর মতো দুঃসাহস কি কোন রাজনৈতিক দল দেখাতে পারবে? আমরা আমজনতারা দেখতে চাই, পরখ করতে চাই প্রতিটি রাজনৈতিক দলগুলোর জনপ্রিয়তা, শক্তি। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করে দূর্ণীতি করে দেখুন, জনতার দাবী উপেক্ষা করে দেখুন- ক্ষমতার মসনদে কত সময় পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেন। এই বিষয়টি জানা আছে বলেই- …

ছাত্ররা রাজনীতিতে আসবে, এতে ক্ষতির কিছু নেই। তবে ছাত্রজীবনের সুন্দর সমাপ্তির মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া কি আমাদের মতো অভাগা আমজনতার কাম্য নয়? কেন অকালে মেধাবীরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বে? কেন সন্তান হারানোর বেদনা জননীকে সহ্য করতে হবে? লাশ হবার জন্য তো মা-বাবা সন্তানকে জ্ঞানার্জনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠান না। সন্তানের জন্মের পর থেকেই সন্তানকে নিয়ে মা-বাবা স্বপ্ন দেখেন। সন্তান তার মানুষের মতো মানুষ হবে। কিন্তু এমন স্বপ্ন কি …

রক্তাক্ত লাশ সাদা কাফনে জড়িয়ে বাড়ী আসে। নয়ত লাশের অপেক্ষায় প্রহর গুনতে থাকে মা-বাবা, পরিজনেরা। লাশ নিয়ে মিছিল শেষ হয়ে নিথর দেহটা কখন বাড়ী আসবে। পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী কাজটা করতে হয় বাবাকে। সন্তানের লাশ কাঁধে নিয়ে…

যত পারুন জনতার দাবী উপেক্ষা করুন। রাস্তাঘাটগুলো খাল-বিল-নদীতে রুপান্তর করুন। দূর্নীতি করুন। খুনোখুনি করুন। প্রশাসন দিয়ে জনতাকে দমিয়ে রাখুন। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করুন। যা ইচ্ছে তাই করুন- কোন নিষেধ নেই। তার আগে অবশ্যই আপনাদের ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। নিষিদ্ধ করে দিন ছাত্র রাজনীতি। আর পরখ করুন আপনাদের জনপ্রিয়তা। তখন আর নিজের ঢোল নিজে পিটাইতে পারবেন না, বাড়ি দেবার আগেই দেখবেন ঢোল আপনাআপনি ফেটে গেছে।