ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

হয়ত ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিলেন কালের কণ্ঠের সাংবাদিক নিখিল ভদ্র। তবে রেহাই পেলেন না আমাদের সময়ের দীনেশ দাস আর ইংরেজি দৈনিক ইনডিপেন্ডেন্টের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিভাস চন্দ্র সাহা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির ২ নম্বর সড়কে বাসচাপায় নিহত হন ইংরেজি দৈনিক ইনডিপেন্ডেন্টের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিভাস চন্দ্র সাহা।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর কাকরাইল চার্চের সামনে বাসচাপায় নিহত হন দৈনিক আমাদের সময়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক দীনেশ দাস। মেয়েকে স্কুলে দিয়ে মোটরসাইকেলে করে ফিরছিলেন তিনি।

গত ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি বাসের ধাক্কায় পঙ্গু হন দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিবেদক নিখিল ভদ্র। তার ডান পা গোড়ালি থেকে কেটে ফেলতে হয়।

কালের কণ্ঠের সাংবাদিক নিখিল ভদ্র একটি পা নিয়ে বাকি জীবন পঙ্গু হয়ে বেঁচে থাকবেন। বাকি দুই জন সাংবাদিক মরে গেলেও তাদের পুরো পরিবার পঙ্গুত্ব বরণ করবে। হয়ত কিছু সাহায্য সহযোগীতা নিয়ে বেঁচে থাকবে এদের পরিবার, তবে যা হয়, কিছুদিন পর সবাই ভুলে যায় সব ঘটনা।

গত ডিসেম্বর থেকে পরপর এ ঘটনায় হতবাক সবাই। তবে একটি প্রশ্ন এখন হয়ত সবার মনে উকি দিতে শুরু করেছে, তিন জন সাংবাদিকই কেন সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের??

এমন কি কোন ঘটনা ঘটছে যা কোন বিশেষ গোষ্টীর আঁতে ঘা লেগেছে, যার ফলাফল এই সব ঘটনা!!! আর এর নিরীহ শিকার হচ্ছেন জাতির বিবেক এই সাংবাদিকরা।

তবে এটাই আশা করি এ ধরনের ঘটনা আর যেন না ঘটে , আর কোন সন্তান যেন এতিম না হয়।