ক্যাটেগরিঃ কৃষি

 

বেশ কিছু দৈনিকের ইন্টারনেট সংস্করণে দেখতে পেলাম সরকার চলতি সপ্তাহ থেকে ৩ লক্ষ মে: টন চাল ক্রয় করবে। কৃষকদের উত্পাদন খরচের দিকে খেয়াল রেখে এ সব চালের মূল্য ধরা হয়েছে ২৬ টাকা কেজি(সিদ্ধ) ও ২৫ টাকা কেজি আতব। সরকার চাইছে অভন্তরিণ বাজার থেকে এই সময় চাল সংগ্রহ করলে বাজার চাঙ্গা হবে এবং কৃষকরা তাদের ন্যয়্য মুল্য নিশ্চিত করনের মাধ্যমে খাদ্য উত্পাদনে উত্সাহিত হবেন। দেশের খাদ্য গুদাম গুলোর ধারণ ক্ষমতা যা তাতে করে ইচ্ছা থাকলেও এর বেশী চাল ক্রয় আপাতত সকারের পক্ষে সম্ভব নয়। বর্তমানে সুগন্ধিযুক্ত সরু চাল রপতানী শুরু হলেও মোটা চাল আগামীতে রফতানী করা যায় কিনা তা নিয়ে সরকার ইতি বাচক চিন্তা ভাবনা করছে। সরকারের চিন্তার সব কিছুই এদেশের কৃষদের জীবন মানের উন্নয়নের জন্য। কিন্তু বাস্তবতা অন্য কথা বলে। সরকার চলতি সপ্তাহ থেকে চাল সংগ্রহ শুরু করবে আর চলবে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত আবার গ্রমীণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য চলতি সপ্তাহ থেকেই টিআর প্রকল্প শুরু হয়েছে চলবে ঐ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। এই সমীকরণ মিলের একটি যোগসুত্র আছে। এক শ্রেণীর সিন্ডিকেট এ সব প্রকল্পের বিপরিতে বরাদ্দকৃত চাল/গম বস্তা বদল করে কোটি কোটি টাকা সরকারের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়। তাতে সরকার কৃষকদের ন্যয্য মুল্য নিশ্চিতের জন্য যে অর্থ ব্যায় করেণ তা আর সফলতার মুখ দেখে না।

নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলায় বর্তমানে এ সব প্রকল্পের চাল (ডিও সিন্ডিকেটদের কাছে) বিক্রয় হচ্ছে ১৫ টাকা কেজি দরে। আর এই চাল বস্তা বদল করে আবার সরকারের কাছে বিক্রয় করবে ২৬ টাকা কেজি। এই দুর্নীতি রোধে সরকারের উচিত হবে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয় করা। আমন মৌসুমে কৃষকের উঠানেই সাভাবিক আর্দ্রতা নিশ্চিত করা সম্ভব। আর সরকারের জন্য আরো সুবিধা যে প্রকৃত কৃষক নির্ধারণের জন্য কোন এজেন্সির কাছেও ধরনা দিতে হবে না। কারণ বর্তমান সরকারের সফল কৃষি মন্ত্রী ইতোমধ্যেই কৃষক পরিচিতি কার্ড প্রদান নিশ্চিত করেছেন। যার মাধ্যমে কৃষি ভুর্তকী ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। তাই সরকার যদি কৃষকদের কথা চিন্তা করে বাজার চাঙ্গা করার জন্য অভ্যন্তরীণ চাল সংগ্র্রহ সুরু করে তাহলে কৃষক বা ধান চাষিরা এত কোন ভাবেই উপক্রত হবে না। শুধু এক শ্রেণীর সিন্ডিকেট ব্যাবসায়ী দূর্ণীতির মাধ্যমে লাভবান হবে। তাই সরকারের উচিত হবে কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান ক্রয় করার সিদ্ধান্ত।