ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

11

 

কবি অর্ঘ্য মণ্ডল । নব্বই দশকের কবি। বাংলা কবিতা লিখতে এসে অর্ঘ্যকে চেনেন না এমন হওয়াটাই খুব আশ্চর্যের। হ্যাঁ, তবে কবিতা না লিখতে আসলে অন্য কথা। অর্ঘ্য লিখেছেন ‘ রাত্রি নিজেকে লিখছে’ , ‘হলুদ, তোমাকে’ ও ‘অগোছালো’। তাঁর আর একটি বই শীঘ্রই প্রকাশিত হতে চলেছে ‘লোকায়ত নানান সাহস ‘। নতুন বইয়ের কবিতাগুলি সাত- আট বছর আগে লেখা। অর্ঘ্য মণ্ডলের কবিতায় এক অদ্ভুত যাদু আছে, আছে মায়া, আছে কাঁচামাটির গন্ধ। নান্দনিকতা অর্ঘ্য মণ্ডলের কবিতার আর এক বৈশিষ্ট , যা তাঁর কবিতাকে ভারাক্রান্ত করে না, বরং কবিতার শরীরকে নিয়ে যায় বহুদূর , যেখানে বসে আছে মাঝি তাঁর চিরন্তন বৈঠা হাতে নিয়ে।

অর্ঘ্য এখন লেখেন না। লুকিয়ে থাকেন । ঘোর সংসারে । সন্তানের মুখে চুমু খেয়ে তার দিন শুরু হয়। শেষও । কবে লেখালিখিতে ফিরবেন , জানিনা । আদৌ ফিরবেন কিনা –তাও এক কঠিন প্রশ্ন। আমরা চাইবো তিনি ফিরে আসুন।

লেখালিখি ছাড়ার পর অর্ঘ্য পেয়েছিলেন ‘বিনয় পদক’ । বছর চারেক আগে। এদিকে সামগ্রিক কাব্যচর্চার জন্য আজ ( জুলাই ১২, ২০১৪) দেবপ্রসাদ ঘোষ স্মৃতি এবং অন্যকথা পুরস্কারে সম্মানিত হবেন তিনি। এটা আনন্দের। তবে আরো আনন্দের খনর শুনতে পাবো, এ আমার বিশ্বাস নয়, দৃঢ় বিশ্বাস। ভালো থাকুন কবি ও আপনার কবিতা।