ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

 

প্রকাশিত হল অচেনা যাত্রী-১৫ উৎসব সংখ্যা – শরতের কবিতা নিয়ে। এই সংখ্যাতে লিখেছেন অচেনা যাত্রী পরিবারের সদস্য হয়ে ওঠা কবি নাজনীন খলিল। চলতি সংখ্যা প্রকাশের পর তিনি অচেনা যাত্রীকে নিয়ে তার অনুভূতির কথা জানালেন। নীচে তার মন্তব্য উদ্ধৃত করা হল।

 nazneen

কতদিনই-বা হবে! মনে হয় এইতো সেদিন প্রথম লিখা পাঠালাম—‘অচেনাযাত্রী’ -তে। তারপরেরটা শুধুই ক্রমাগত আপন হয়ে ওঠার এক গল্প। আমি লিখলাম। খুব ভাল  লাগল সকলের আন্তরিকতা। আপন করে কাছে টেনে নেয়ার অসামান্য সক্ষমতা।  একে একে যাত্রীর নতুন/পুরাতন সব যাত্রীরা বন্ধু হয়ে গেল। কেউ এই বাংলার, কেউ-বা ওই বাংলার। আমি বাংলাদেশের হয়েও বাংলাদেশী অনেক কবির সাথে   ‘অচেনা যাত্রী’-তে লেখার আগে পরিচিত ছিলাম না। এখানে এসে তাদের সাথেও  পরিচিত হলাম। যেমন মাসুদার রহমান অথবা শিমুল মাহমুদ। এমন আরো অনেকের সাথে। 

‘অচেনাযাত্রী’ আজ আমার কাছে শুধুমাত্র লেখার একটা জায়গা নয়। ‘অচেনা যাত্রী’  পরিবার হয়ে উঠেছে নিজের পরিবারের মতো। নিজেকে এই পরিবারের একজন ভাবতে গর্ববোধ করি। কোনো সহযোগিতা করতে পারলে তৃপ্ত  হই।

সব থেকে ভাল দিক হলো ম্যাগাজিনটির সর্বাঙ্গিন সৌন্দর্য, সৌকর্য বৃদ্ধির জন্য এর কলাকুশলিদের আন্তরিক প্রচেষ্টা । প্রধান সম্পাদক অমিত কুমার বিশ্বাস, কিংবা সুবীর সরকার অথবা বাকী  যারা আছেন তমাল, আইরিন, শূদ্রক, মৈনাক- এমন আরো অনেকে – সকলেই খুব নিষ্ঠার সাথে  কাজ করে যাচ্ছেন।

 

আমি বিশ্বাস করি  ‘অচেনা যাত্রী’আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে। উত্তরোত্তর আরো অনেক বেশি শ্রীবৃদ্ধি হবে। কারণ আমরা সবাই এরসাথে আছি। আমাদের সাহায্য -সহযোগিতার হাত বাড়ানো আছে, থাকবে।