ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

রাজনীতির রেলগাড়িটা এখন নিশ্চিত একটা সংঘাতের জংশনের দিকে মোড় নিচ্ছে । হরতালের পর হরতাল । হিংস্র সরকার । আতংকিত দেশবাসী । তত্তাবোধায়ক সরকারের দাবি পূরণ আর যুদ্ধপরাধিদের বিচার দু’টোই হয় তো হবে । আর এজন্য মনে হয় সংঘাতের মাঠ ঘাট পেরুতে হবে আমাদেরকেই ।

জামাতের প্রতি তীব্র ঘৃণা আর বিষেদাগারের সূচক এখন ঊর্ধ্বগতিতে দণ্ডায়মান । যুদ্ধপরাধিদের বিচার গন্তব্যের খুব কাছাকাছি । ওরাও পশুর মত হিংস্র হয়ে উঠছে । পুলিশ কে পিটাচ্ছে । হরতালে চোরাগুপ্ত হামলা চালাচ্ছে । অবশ্য এই ঘৃণার তালিকায় বর্তমান সরকারও নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছে ।

বিরোধীদলের হরতালে সরকার আবার বেহায়া আর নিরলরজের মত আচরণ করে । হরতাল প্রতিহত করার জন্য সোনার ছেলেদের মাঠে নামায় । ওরাও সুযোগ পেয়ে কুপিয়ে হত্যার খেলায় মেতে ওঠে । শুধু তাই না , হত্যাকারীদের বাঁচানোর নীল নকশায় মেতে উঠল সরকার । ময়না তদন্তে ফরেনসিক বিভাগের রিপোর্ট দেখে আমরা হতাশ । লাশের শরীরে চাপাতির আঘাতের কোন দাগ নেই । কোন দেশে বাস করি । নিজেকেই ধিক্কার দিতে ইচ্ছে করছে ।

জামাতের রাজনীতি বন্ধের দাবিতে কম্যুনিস্টদের ১৮ তারিখের ডাকা হরতাল নাকি সবচেয়ে সফল হরতাল । এই হরতালে গাড়ি ভাংচুর,অগ্নি সংযোগ কিংবা বিশ্বজিতের মত কাউ কে নির্মম ভাবে প্রাণ দিতে হয় নি । এটা কেন হয়েছে ? এর মুলে রয়েছে সরকারের সহানুতুশিল মনোভাব । সব হরতালে সরকার এমন সহনশীল হলে তো আর তো দেশের সম্পদের ক্ষতি হয় না । জনগণও স্বস্তিতে থাকতে পারে ।

পরম সত্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য গল্প । ঠিক রেলের কালো বিড়ালের গল্পের মত । সরকার নিজে না পেরে নাস্তিকদের ভাড়া করে এনে হরতাল ডাকাচ্ছে । অন্যান্য হরতালে সরকারের আদেশে বিচ্ছুর মত কিলবিল করে বিআরটিসি বাস রাস্তায় বের হয় । সরকারের হুকুমেই এবার বের হয় নি । পুলিশ জনগণের বন্ধু হলেও এবার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মত শত্রুতে পরিণত হয়েছে ।সরকার কমুনিস্তদের হরতালের জন্য উৎসাহিত করছে । আর নাস্তিকরা সফল হরতালের মেডেল পেয়ে খুশিতে বাগবাগ । মুই কি হনুরে !!

পুলিশ পিকেটার
আহমদ আল হুসাইন

পিকেটিং এ বাধা দেওয়া
পুলিশের কাজ
পিকেটিং করে দেখি পুলিশেই আজ

ঢিলেঢালা হরতাল
গাড়ি ঘোড়া বন্ধ
জামাতের রাজনীতি এইবার অন্ধ

হরতাল দেখেছিল
বাম দল মোর্চা
পুলিশই পিকেটার, এই নে তোর চা

ছড়াতেই পিকেটিং
ছড়াতেই ঢিল তো
লীগ দল যাই করি নেই কোন সিল তো