ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

অবাক হলেন ? ভাবছেন ” বাকহারা হতে কত দেরি পাঞ্জেরী?”

মাফ করবেন, উক্তিটি আমার নয় । গতকাল প্রথম আলোতে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী , সাংসদ লিটনের নামে দায়েরকৃত শিশু সৌরভ কে গুলি করে হত্যা চেষ্টার মামলার প্রতিবাদে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নাগরিক ঐক্যের নামে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে । সভার মুল দাবি এটি ষড়যন্ত্র কাজেই মামলা প্রত্যাহার চাই ।

ঐ সভায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি আতাউর রহমান বলেন , সাংসদ দ্বারা একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে থানায় মামলা হয়েছে , তদন্ত করে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই !!

নিঃসন্দেহে হক কথা । আওয়ামী লীগের টিকেটে এমপি হলেই কি সাংসদের কোন নিজস্ব ইচ্ছা নেই? উনি ইচ্ছে হলে ধোলাই দেবেন, গুলি করবেন আওয়ামী লীগের এতে ভাবার কী আছে? প্রশ্ন হল আওয়ামী লীগের ইমেজ? সেটিও না হয় ভুলে গেলাম। জনাব আতাউর আপনি কি ভুলে গেছেন এই দলটির প্রাণ পুরুষ জাতির জনকের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রামের শিক্ষা? আপনি কি জননেত্রী শেখ হাসিনার উচ্চারন শোনেননি  “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জিরো টলারেন্স”। জনাব আতাউর আপনাকে বলি ইতিপূর্বে সংগঠনের আদর্শ বিরোধী কাজে লিপ্ত বা সন্ত্রাসের দায়ে মামলা হবার পরেও যাদের বহিস্কার করা হয়েছে তাদের কি ক্ষমা চেয়ে ফেরত আনা উচিত আপনার মতে? আপনি কি দলিয় সদস্যর বিষয়ে সিধান্ত নেয়ার দলীয়  ক্ষমতা অস্বীকার করেন?

আপনার মতে সাংসদ বিষয়ে আওয়ামী লীগের ভাবনার, মাথা ঘামানোর কিছু নেই, আমি বলি কি তার চেয়ে বেশি মাথা ঘামানোর আছে আপনার মত নেতাদের বিরুদ্ধে এবং সিধান্ত একটাই শুদ্ধি অভিযান ও আপনাদের মত সাংসদ লীগ করা হাইব্রিড মুক্ত আওয়ামী লীগ ।