ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

হালে ৫৭ ধারার চর্চা বাড়িয়া যাওয়াতে সেই পুরাতন ৫৭০ সাবান কোম্পানি নতুন মোড়কে ব্যাপক বাজারজাত করিবার চিন্তা ভাবনা করিতেছে বলিয়া সদ্য প্রয়াত মি অমুকের সূত্রে শুনিয়াছিলাম । আরও জানিতে পারিয়াছিলাম যে, বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে উহা ফ্রি তে দেয়া হইবে যাহাতে ৫৭ ধারার আসামী পাওয়া মাত্র উত্তমরূপে ধোলাই কর্মটি সারিতে পারেন । যাক উহা তাহাদের বাণিজ্যিক পলিসি, আমি আদার ব্যাপারী যতক্ষণ ৫৭ ধারায় মামলা না খাই তাতে আমার কি ? আমার সমস্যা অন্যত্র।
সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের সাধারন সম্পাদক ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ বন্ধে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করিয়াছেন। আর সরকারি দলের অনেকেই ৫৭ ধারার প্রয়োজন আছে বলিয়া উহার অপপ্রয়োগ না করিবার কথা বলিয়া আসিতেছেন ! আহা, কি চমৎকার শোনা গেল ! জানিতে সাধ হয় আইনের প্রয়োগ কি উনারা নিয়ন্ত্রন করেন ? প্রতিটি মামলা কি তথ্য মন্ত্রির অনুমতি ক্রমে দায়ের হয় যে, উনি অপপ্রয়োগ রোধ করিবেন ? আইনটি যেখানে জামিন অযোগ্য সেখানে মাননীয় বিচারক জামিন মঞ্জুর না করিলে অবাক হইবার কি আছে ? যদিও জামিন বিবেচনা বিচারকের নিজস্ব এখতিয়ার। আইন যখন আছে তখন আমাকে আদালতে যাইতে তথ্যমন্ত্রী কি করিয়া বাধা দিবেন ? অধম বুঝিতে অক্ষম । কেবল মনে হয় কী আছে তাহাদের মনে?