ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

 

বিদায়, বন্ধু আমার, শুভবিদায়
আমার প্রেম, আছো অন্তর জুড়ে ।
পূর্বনির্ধারিত বিচ্ছেদ, বানের তোড়ে
আর পুনঃমিলন হবে মুগ্ধতায়
বিদায়ঃ নয় করমর্দন, নয় শব্দ পণে ।
দূর করো ঐ বিষাদ — ললাটের খাজে ।
নতুন কিছুই নেই এই মৃত্যু সাঝে
নতুনত্ব নেই কিছুই জীবনে।

সের্গেই ইয়েসিনিন, আমার প্রিয় একজন রুশ কবি। অসম্ভব প্রতিভাবান একজন স্বপ্ন বিলাসী মানুষ। চমৎকার তাঁর লেখনি, মুগ্ধতায় পড়েছি ক্ষণজন্মা এই কবির কবিতা ।
মাত্র ৯বৎসর বয়সে কবিতা লিখা শুরু করেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবন ছিলো বিষাদে ভরা। ছিলেন ভীষন আবেগী, প্রেমে পড়েছেন বারবার। সংসারী হওয়ার চেষ্টা করেছেন একাধিক বার। আবেগী কবি বয়সে ১৮বছরের বড় এক আমেরিকান অভিনেত্রীর প্রেমেও পড়েছেন, বিয়ে করে ঘুরে বেড়িয়েছেন ইউরোপ-আমেরিকা। শেষ জীবনে বিয়ে করেছিলেন লিও টলস্টয়ের নাতনী সফিয়া আন্দ্রেয়েভনা’কে।

মাত্র ৩০বছরের জীবনে শেষ দুই বছর রাশিয়াকে উপহার দিয়েছেন অসম্ভব জনপ্রিয় আর চমৎকার সব কবিতা। যেনো তাঁর পূর্ব পরিকল্পিত ছিলো সবই। মানসিক অসুস্থ্যতা আর মদ্যপানের কারণে জীবনের শেষ একমাস সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধিন ছিলেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার দুইদিন পর নিজের হাত কেটে সুইসাইড নোটটি লিখে সেইন্ট পির্টাসবার্গের হোটেলের একটি কক্ষে সিলিং এর সাথে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন।
“রীয়্যজান” জন্মস্থান তাঁর নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

আমি তাঁর কবিতার সাথে প্রথম পরিচিত হই ২০০৩সালে, এক রাশিয়ান বৃদ্ধ মহিলা (এখন মৃত) আমাকে কবির বই উপহার দিয়েছিলেন আমার জন্মদিনে।

মূল নোটঃ
До свиданья, друг мой, до свиданья.
Милый мой, ты у меня в груди.
Предназначенное расставань
Обещает встречу впереди.
До свиданья, друг мой, без руки, без слова,
Не грусти и не печаль бровей,-
В этой жизни умирать не ново,
Но и жить, конечно, не новей.

কবি সম্পর্কে আরও জানতে পড়ুনঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Sergei_Yesenin