ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 
safe work

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত শতাধিক চিকিৎসক বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানব-বন্ধনে অংশ নেন। বিএমএ মহাসচিব ইকবাল আর্সলান স্যার আল্টিমেটাম দিয়েছেন, “২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুগান্তরকে নূনযীরুল মুহসেনীনের বিরুদ্ধে ছাপা প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে নিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে”।

প্রথমআলো নিউজ-লিংকে যখন নিউজটি পড়ছি তখন একজন পাঠকের মন্তব্য দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি লিখেছেন, “ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত শতাধিক চিকিৎসক বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানব-বন্ধনে অংশ নেন। ওই সময়ে ডিউটি করছে কে?”

খুব ইচ্ছে করছিলো প্রতিউত্তর করি, বহু কষ্টে নিজেকে সংবরণ করলাম। কোথায় জানি পড়েছিলাম, ‘Never argue with stupid people, they will drag you down to their level’
.
ডাঃমীমের ঘটনায় বিএমএ এগিয়ে এসেছে এটা খুব আশার কথা। সাধারণত বিএমএ’কে চিকিৎসকদের নির্যাতনে প্রতিবাদী হতে দেখা যায় না, খুব সম্ভবত আমাদের নেতারা বুঝতে পেরেছেন তাদের পিট দেয়ালে লেগে গেছে। তবে মাত্র শতাধিক চিকিৎসকের মানব-বন্ধনে অংশগ্রহণ আমায় আশাহত করেছে। ঢাকা শহর এবং আশপাশে ছোটবড়, সরকারি বেসরকারি পাঁচ শতাধিকের অধিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান আছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একাধিক চিকিৎসক কর্মরত আছেন। এক ঘণ্টার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে উপস্থিত থাকলেও পাঁচ শতাধিক ডাক্তার ঐ মানব বন্ধনে অংশগ্রহণ করা উচিত ছিলো। চিকিৎসক সমাজের ঐক্যের দৈন্যতা প্রকাশের জন্য এই উদাহরণই যথেষ্ট।

কোনো উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে আমারই কোনো সহকর্মীকে স্থানীয় পাতি নেতার ছোট ভাই জুতা পেটা করলে আমি জেনেও না জানার ভান করে থাকবো, দেখেও না দেখার ভান করবো… আমি তো নিরাপদ আছি! কিন্তু কতদিন??!!!

.গত বছর (২০১৪) ৯ এপ্রিল বমি ও ডায়রিয়া নিয়ে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন সিরাজুল ইসলাম। বারডেম চিকিৎসকের ভাষ্যমতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিরাজুল ইসলাম মারা গেছেন। বিভাগীয় চিকিৎসকদের দাবী ছিলো, তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টায় তারা ত্রুটি করেননি। রোগী সিরাজুল ইসলাম শ্রদ্ধেয় ডাঃ ফারুক পাঠানের পূর্ব পরিচিত হওয়ায় অন্য বিভাগের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও তিনি রোগীর ফলোআপে গিয়েছেন। আমি নিশ্চিত এইজন্য সিরাজুল ইসলামের আত্মীয় স্বজনরা ডাঃফারুক পাঠানকে কোনো ‘ফি’ দিয়ে ঢেকে নিয়ে আসেননি, বা ডাঃ পাঠানও কোনো ‘ফি’ দাবী করেননি। তিনি যা করেছেন তা বিবেকের তাড়নায় করেছেন, মনুষ্যত্বে খাতিরে করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডাঃ ফারুক পাঠান দাবি করেন, রোগীর পরিবারের তরফ থেকে ভুল চিকিৎসা বা চিকিৎসায় অবহেলার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সত্য নয়। মৃত সিরাজুল ইসলাম ২০১০ সাল থেকে তাঁর অধীনে চিকিৎসা নিয়ে আসছিলেন। তিনি জটিল একটি রোগে ভুগছিলেন। গত মার্চেও তিনি বারডেমে ভর্তি হয়েছিলেন।

অ্যান্ডোক্রাইনোলজি বিভাগে চিকিৎসাধীন রোগী সিরাজুল ইসলাম (জাতীয় প্রেসক্লাবের কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি) যথোপযুক্ত চিকিৎসা পাওয়া সত্ত্বেও ১৩ এপ্রিল রাত আটটায় মারা যান। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজন নামধারী ৬০-৭০ জন দুষ্কৃতকারী হাসপাতালে টেলিভিশন, কম্পিউটার, পানির ফিল্টার ভাঙচুর করেন। প্রভাবশালী ব্যক্তির (!) ইন্ধনে ডাঃ মো. আনোয়ার হোসেন ও ডাঃ কল্যাণ দেবনাথকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়। ভয়ে প্রসাধন কক্ষে লুকিয়ে থাকা চিকিত্সক ডাঃ শামীমা আক্তারকে দরজা ভেঙে বের করে লাঞ্ছিত করা হয়।

ডাক্তাররা বিচারের দাবীতে কর্ম বিরতিতে গেছেন, কিন্তু পত্রিকায় এসেছে, চিকিৎসকেরা রোগী মেরে কর্ম বিরতি করে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা করছেন! খেয়াল করুন এক বৎসর হয়ে গেছে… ঘটনার জন্য কেউ শাস্তি পায়নি!

আমাদের এক স্যার সব সময়ই বলতেন, রোগী বাঁচলে আল্লাহতালাহ বাঁচান আর রোগী মরলে ডাক্তার মারে। স্যারের কথা কতটা ধ্রুব সত্য তা কর্ম জীবনে মর্মে মর্মে টের পেয়েছি।

২০১৪ সালে একই মাসে বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর সিনিয়র মেডিকেল অফিসার শ্রদ্ধেয় ডাঃমুহিব ভাইকে কিছু উৎশৃংখল লোক হাসপাতালের অভ্যন্তরে প্রহার করার ঘটনা শুনে স্তম্ভিত হয়েছিলাম। তাদের অভিযোগ তাদের রোগীকে প্রাধান্য দিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেননি ডাঃমুহিব। চিকিৎসা দিতে আসা ডাক্তার প্রহৃত হয়ে হাত ও পায়ে ফ্রাকচার নিয়ে নিজেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন!

২০১০ সালে বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ যেদিন যোগদান করি সেদিন এই ডাঃ মুহিব ভাই আমাকে সতর্ক করে বলেছিলেন এলাকা ভালো না, এলাকার মানুষ প্রায়ই ঝামেলা করে… সতর্কতার সাথে Deal করার জন্য। রোগী নিয়ে ঝামেলা আছেই সাথে আছে পুলিশ কেইসের ঝামেলা। মারামারি করে হাসপাতালে আসে, ভর্তি করতেই হবে এবং এরপর মেডিকেল রিপোর্ট-এ গ্রেভিয়াস শব্দটি লিখিয়ে নিতে তদবির, ঝামেলা লেগেই থাকে। বালাগঞ্জ আমার নিজের বাড়ী তাই তাঁর কথা শুনে প্রথমে আমার ভালো লাগেনি কিন্তু তাঁর এই সর্ট ব্রিফিং এর কারণে আমি নিজে অনেক ঝামেলা থেকে বেঁচে গেছি সহজেই। যখন শুনলাম তিনি নিজেই প্রহৃত হয়েছেন তখন খুবই খারাপ লাগলো।

নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। জানাতেও চাই না। আমরা যারা চিকিৎসাকে পেশা হিসেবে বেঁচে নিয়েছি তারা দু-চারটা চড়-থাপ্পড় নিজের নিয়তি হিসেবেই মেনে নিয়েছি। যে দেশে সিনেমাতেই দেখানো হয় রোগী মারা গেলে আবেগের বশবর্তী মানুষ ডাক্তারের কলার চেপে ধরে, মারধর করে, ফাঁকিবাজ ডাক্তারকে নায়ক নায়ক ডিসুম ডিসুম ঘুষি মারেন… সেই দেশের সাধারণ জনগণের পারফরমেন্স এমনই হবে। স্যারের কথানুযায়ী পেশার শুরু থেকেই দেখে আসছি, রোগী মরলে ডাক্তার মারে আর বেঁচে গেলে আল্লাহ বাঁচায়। তাই হয়তো ডাক্তাররা চামড়া একটু শক্ত করেই নিয়েছে।

ডাঃ মুহিবকে প্রহারের ঘটনা কোনো টিভি চ্যানেলে আসেনি, কারণ তাকে প্রহরের পর কোনো রাস্তায় অবরোধ হয়নি, অর্ধদিবস বা পূর্নদিবস হরতাল আহবান করা হয়নি। তিনি কোনো নেতা না, এমনকি পাতি নেতাও না যে কোনো পত্রিকার প্রথম পাতায় হেড লাইন হবেন। তিনি অতি সাধারণ একজন মেডিকেল অফিসার যাকে এলাকার এসএসসি ফেইল পাতি-নেতাকেও “ভাই ভাই” সম্বোধন করে ভয়ে কথা বলতে হয় আর নেতাদের কথা বাদই দিলাম। বিসিএস দিয়ে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হওয়ার পরেও অগা-মগা তাঁকে হাসপাতালে ঢুকে চাকরী খাওয়ার হয় দেখায়, খাগড়াছড়ি বদলির ভয় দেখায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বারডেমের মতো হাসপাতালে যখন সন্ত্রাসীরা ঢুকে আক্রমণ করে তখন নিরাপত্তার ব্যাপারটা নিশ্চিত ভাবেই ভাবায়। ডাঃ মীমের ঘটনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, ডাক্তাররা মানব বন্ধন পালন করেছেন, পত্রিকা টেলিভিশনে আসছে খবর… আর তারপর?

হাসপাতাল এবং রোগীদের স্বার্থেই ডাক্তাররা আবার কর্মস্থলে ফেরত যাবেন, নিজস্ব কর্মব্যস্ততা আর প্রাকটিসের কারণে ভুলে যাবেন “একটি নিরাপদ কর্মস্থল” নামক দাবীর কথা। চিকিৎসক নেতারা ব্যস্ত হবেন নির্বাচন এলে, আর নির্বাচনের পরেই চিকিৎসকের “আইনি সহায়তা এবং নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিতকরণের প্রতিশ্রুতি” লিফলেট বন্ধি হয়ে থাকবে আজীবন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাজ করার সময় দেখেছি চিকিৎসকেরা কত অসহায়। দেখেছি ২-৩জন মেডিকেল অফিসার মিলে কিভাবে ইমার্জেন্সি, আউট ডোর, ইনডোর সবকিছু সামাল দিয়ে আবার তিন শিফটে ভাগ করে ২৪ঘন্টা ডিউটি দিতে। এক শিফটে একজন মেডিকেল অফিসার, ইনডোরে গেছেন তো ইমার্জেন্সিতে রোগী হাজির। তাড়াতাড়ি রোগী রিসিভ করতে নিচে এলেন তো ইনডোরে কাহিল কোনো রোগীর আত্মীয় রেগে গালাগালি করে চৌদ্দগোষ্টি উদ্ধার করছে।

ভাই, বাবা, চাচা বলে মিষ্টি মুখে সব ম্যানেজ করতে হয়। আর এরমধ্যে কদাচিৎ যদি দু-একটা কিল-ঘুষি বা চড় থাপ্পড় খাই তাহলে ভেবে নিতে হবে তা হালকার উপর দিয়ে গেছে। আর যদি রোগী মরে তাহলে তো কথাই নেই…তাই মৃতপ্রায় রোগীকে নিয়ে আসা আত্মীয় স্বজনকে কিভাবে ম্যানেজ করতে হয় সেই বিষয়ে হেলথ কমপ্লেক্স-এ রীতিমত কয়েকদিনের ট্রেনিং নিতে হয়।

যেমন, মৃত রোগী নিয়ে এলে রোগী চেকআপ করে সাথে সাথে মৃত বলা যাবে না। অক্সিজেন লাগাতে হবে, অনেকবার প্রেশার মাপতে হবে, নেবুলাইজার দিতে হবে… ২০-২৫মিনিট পরে একজন সমঝদার হর্তাকর্তাকে খুঁজে বের করে অন্য রুমে ঢেকে নিয়ে বলতে হবে, আপনার রোগী মারা গেছেন। সবাইকে অতি অবশ্যই দেখাতে হবে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছি যদিও রোগী মৃতই তারা নিয়ে এসেছে।

পত্রিকায় হেডলাইন হয়, ‘চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু’। খুব জানতে ইচ্ছে করে সাংবাদিক ভাইয়েরা কি করে জানলেন যে চিকিৎসক ভুল চিকিৎসা দিয়েছিলেন!!! নাকি যেসব সাংবাদিক রিপোর্ট করেন তারা মেডিসিন এবং সার্জারীতে বিশেষজ্ঞ! টিভিতে নিয়মিত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, কর্মস্থলে না থাকা এইসব নিয়ে রিপোর্ট হয়।

মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী প্রায় প্রতিদিনই বলেন, ডাক্তারদের কর্মস্থলে না থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু কেউ বলে না, প্রথমে যেখানে (উপজেলায়) পোস্টিং দেয়া হয়েছে সেখানে চিকিৎসকের নিরাপত্তার কথা, কেউ বলে না ঢাল তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সরকার কি দিয়ে সেখানে চিকিৎসা দেবেন। ওটি অচল, নাই কোনো যন্ত্রপাতি, নাই এম্বুলেন্স, নাই ভালো থাকার জায়গা, রাতে থাকার জন্য উপহার হিসেবে থাকা ভাঙ্গা চৌকি, ফ্রি ছারপোকা। অফিস জুড়ে ভাঙ্গা চেয়ার টেবিল। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তো চেয়ার টেবিলও নাই। পানি খাবেন সেই টিউবওয়েলটিও নষ্ট। নিজের গাটের টাকা খরচ করে নূন্যতম যা সংগ্রহ করা যায় তা দিয়ে কাজ শুরু করলেন, ডাক্তার এসেছেন শোনে শত শত রোগী ভিড় করলো হাসপাতালে, একটা টানা দেড়শ রোগী একা দেখে নাস্তা-পানি খাওয়ার বিরতিতে গেছেন তো নেতা গোছের কেউ এসে শুরু করে দিলো সুন্দর “গালাগালি”। যারা এইসব পড়ছেন তারা মনে করতে পারেন সব কল্পনা থেকে মিথ্যে বানিয়ে বানিয়ে লিখছি! নারে ভাই, নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি। রোগী দেখা দূরে থাক, এক জায়গায় বসে দেড়শ মানুষের সাথে শুধু সালাম আদাব দেন, ভালো মন্দ জিজ্ঞাস করেন… দেখেন কেমন লাগে।

.নিজের টাকা খরচ করে সিভিল সার্জনের অফিস থেকে ভালো ঔষধ সরবরাহের ব্যবস্থা করে শোনবেন “ডাক্তার অর্ধেক ঔষধ মেরে দিয়েছে”। বিশ্বাস হচ্ছে না!  চলুন আপনাকে নিয়ে কিছুদিনের জন্য যাই উপজেলার সেই কর্মস্থলে, কিছু করা লাগবে না… শুধু আমার পাশে বসে থাকবেন। তবে আপনাকে নিজের পিতৃপ্রদত্ত প্রাণের নিরাপত্তার ব্যবস্থা কিন্তু নিজেকেই করতে হবে। কারণ আমাদের ডাক্তাররা নিজেদের কর্মস্থলে নিজেদেরই নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই। চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মস্থল আসলে কোথায়?!”

’ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু’ কিংবা ’চিকিৎসা অবহেলায় মৃত্যু’ নিত্যদিনের হেডলাইন। কোনটা ভুল চিকিৎসা আর কোনটা সঠিক চিকিৎসা তা তারা কী করে বোঝেন আল্লাহমালুম। পুলিশের সাথে থেকে ক্রাইম নিয়ে রিপোর্ট করার জন্য সংবাদ মাধ্যমের স্পেশাল ক্রাইম রিপোর্টার টিম থাকে, ডাক্তারদের নিয়ে রিপোর্ট করার জন্য এমবিবিএস বা নূন্যতম প্যারামেডিক্স রিপোর্টার নিয়োগ করা হোক… যাদের দ্বারা গঠিত হবে মেডিকেল এক্সপার্ট রিপোর্টার টিম! শত শত বেকার ডাক্তারদের পক্ষ থেকে মেডিকেল এক্সপার্ট রিপোর্টার টিম তৈরির জোর দাবি জানাচ্ছি…!

পরিশেষে বলতে চাই, চিকিৎসা নিতে হলে চিকিৎসা প্রদানের পরিবেশ নিশ্চিত করাটাও জরুরি…।