ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 
human body

আজব কারখানা আমাদের শরীর। কতটুকু জানি নিজেদের শরীর সম্পর্কে? চলুন জেনে নেই আমাদের দেহের চমৎকার কিছু তথ্য।

১. মানবদেহে প্রবাহমান রক্তনালীর একত্রিত সংযোগ দৈর্ঘ্য জানেন? ৬০০০০মাইল। আড়াইবার পৃথিবীকে ঘুরিয়ে পেছানো যাবে একজনের রক্তনালী দিয়ে!
২. মানুষের চোখ খুবই সংবেদনশীল, এতোটাই যে পৃথিবী যদি পুরোটাই সমতল হত তবে ৩০মাইল দূর থেকেই একটি মোমবাতির আলো আপনি দেখতে পেতেন!
৩. মানুষের মস্তিষ্ক প্রতি মিনিটে ১০০০ শব্দ পড়তে পারে!
৪. মাথা ভর্তি চুল দিয়ে একজন মানুষ ১২টনের একটি গাড়ির ওজন নিতে পারে।
৫. মানুষের দেহ থেকে তাপ উৎপাদন হয়, প্রতি ৩০মিনিটে আপনার শরীর যতটুকু তাপ উৎপাদন করে তা দিয়ে ১ গ্যালন পানি শুধু গরমই নয়, ফুটাতে পারবেন।
৬. কে শক্তিশালী? মানুষের মস্তিষ্ক নাকি কম্পিউটার? যদি উত্তরে বলেন কম্পিউটার তবে ভুল বললেন, আপনি আপনার নিজের মস্তিষ্কই চিনতে পারেননি। কম্পিউটারের তুলনায় আপনার মস্তিষ্ক প্রতি সেকেন্ডে ৩৪হাজার-ট্রিলিয়ন কমান্ড নিতে পারে, পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার ব্লু’গেনে আপনার সামর্থ্যের .০০২% ।
৭. চোখের ফোকাস মাসল প্রতিদিন ১০০০০০বার সংকোচিত-প্রসারিত হয়, কর্মক্ষমতায় এর তুলনা আপনার ১০মাইল হাটার সমান।
৮. শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর মিলনে মানব শিশুর জন্ম হয়, মানব সম্প্রদায়ের তথ্য আদান প্রদান হয় তার পরবর্তী প্রজন্মে। মানুষের একটি শুক্রাণু কতটুকু তথ্য ধারণ করতে পারে? তথ্য-প্রযুক্তির ভাষায় ৩৭.৫ mb, প্রতিবার হস্তমৈথুন বা সঙ্গমে যতটুকু শুক্রাণু বের হয় তার সম্মেলিত তথ্য হবে ১৫০০টেরাবাইট।
৯. প্রতি সেকেন্ডে আমাদের শরীর ২৫মিলিয়ন নতুন কোষ তৈরি করে!
১০. অন্ধকারে আমাদের চোখ অতি-সংবেদনশীল হয়ে উঠে, আলোতে যে বাতি চোখে পড়ে না, অন্ধকারে তা ১হাজার গুন দুর্বল হলেও আমাদের দৃষ্টি এড়ায় না!
১১. প্রতিদিন আপনার শরীরের রক্ত ১২হাজার মাইল ভ্রমণ করে!
১২. দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি, স্বাদ সবমিলিয়ে মানুষের ১৫ধরণের অনুভূতির ক্ষমতা রয়েছে, যারমধ্যে আরও রয়ে তাপ, ব্যথা, আনন্দ অনুভূতির ক্ষমতা।
১৩. আমরা সবাই সোনার মানুষ, তা কতটুকু সোনা আছে একজনের শরীরে? মাপকাঠিতে তা ০.২ মাইক্রোগ্রাম। ৮ গ্রামের একটি সোনার কয়েন তৈরিতে প্রয়োজন হবে ৪০হাজার মানুষ!
১৪. পুরো শরীরের তুলনায় মানুষের মস্তিষ্ক মাত্র ২% অথচ পুরো শরীরে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের ২০% একাই মস্তিষ্ক গ্রহণ করে।
১৫. অক্সিজেন পর্যাপ্ত পরিমাণে শরীরে থাকলেও বার বার শ্বাস-প্রশ্বাসে আমরা শরীর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের করে বের করে দেই, যদি শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে সরাসরি কার্ব ডাই-অক্সাইড শরীর থেকে সরাসরি বের করে দেয়া যেতো তবে প্রতি মিনিটে একবার শ্বাস নিলেই আমাদের চলতো!