ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঃ হরতালে ভাংচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনের মামলায় ঠাকুরগাঁও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ৩৯ জনের নামে মামলা হয়। ওই মামলায় ৩৯ জনের মধ্যে ৩২ জন আজ দুপুরে ঠাকুরগাঁও মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ মে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করলে ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাপক ভাংচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। জেলা বিএনপি’র ডাকে ওই দিন থেকেই টানা হরতালের ঘোষনা দেয়। পরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৭ মে হরতাল পালন হয়। সারা দেশে একদিন হরতাল পালিত হলেও ঠাকুরগাঁওয়ে ১৬ ও ১৭ মে হরতাল পালিত হয়। হরতালে গাড়ি, অফিস আদালত, ব্যাংক সহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশকে আহত করার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মোট ১৩ টি মামলা হয়। এর মধ্যে একটি মামলা দ্রুত বিচার আইনে রুজু করা হয়। ওই মামলায় জেলা ছাত্রদল সভাপতি, সাধারন সম্পাদক সহ অঙ্গ সংগঠনের ৩৯ জন নেতা কর্মীর নামে আদালতে অভিযোগ পত্র দালিখ করে পুলিশ। অপর একটি মামলায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ১ হাজার ৫শ নেতা কর্ম্যীকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

আজ মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও মুখ্য বিচারিক আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা হওয়া ৩৯ জন আসামীর মধ্যে ৩২ জন আত্মসমর্পন করে জামিনের প্রার্থনা করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন।

আসামীদের পক্ষ্যে ঠাকুরগাঁও আইনজীবি ফোরামের ৫১ রজন আইনজীবি জামিন আবেদনে স্বাক্ষর করলেও আদালত এ জামিন নামঞ্জুর করেন। জেলা আইনজীবিগন এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে বলেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা এ িমামলায় আদালত ইচ্ছে করলেই জামিন দিতে পারতেন। তাদের জামিন না দিয়ে আইনের ব্যাত্যয় ঘটানো হয়েছে বলে তারা মন-ব্য করেন।