ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

মকবুল নামটা কোন ব্যক্তির হলেও ফেনসিডিল আসক্ত আর বিক্রেতাদের কাছে ঠাকুরগাঁওয়ে ফেনসিডিলের অপর নাম মকবুল। সমপ্রতি ঠাকুরগাঁওয়ে ফেনসিডিলের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদনকারীরা ফেনসিডিলের ১০০ মিলিগ্রাম বোতলের পাশাপাশি এখন ৫০ মিলিগ্রামের বোতলজাত ফেনসিডিল বাজারজাত করছেন। আজ বুধবার রাতে ঠাকুরগাঁও ডিবি পুলিশ বালিয়াডাঙ্গী থানা এলাকা থেকে ৫০ মিলিগ্রামের ২০ টি সহ ১শ ফেনসিডিলের বোতল আটক করেছে। এ ঘটনায় সাধারন মানুষ, ফেনসিডিলে আসক্ত এমনকি খোদ পুলিশের মাঝেও ছোট মকবুল ধরা পড়েছে বলে হাস্য কৌতুকের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে রাতে ৭ জন ফেনসিডিল আসক্তের সাথে কথা বললে তারা নাম ও পরিচয় না প্রকাশ করার শর্তে জানান, আগে হাতে গোনা কয়েকজন ফেনসিডিল খেতো। এখন বর্তমানে ফেনসিডিল ভারতীয় সীমান- দিয়ে এসে জেলা শহর সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছে। ফেনসিডিল আসক্ত এখন শুধু শহরেই নয় গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। ফেনসিডিল ঢুকে পড়েছে অভিজাত মানুষের পরিবারেও। এতে সরবরাহের তুলনায় চাহিদা কয়েকগুন। তারা জানায়, বড় মকবুল ৩০০ টাকা, হোম ডেলিভারির ক্ষেত্রে ৩৫০ টাকা ও ছোট মকবুল ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও ডিবি পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ হোসেন জানান, ধারনা করা হচ্ছে পরিবহন সহজ করতে ফেনসিডিল উৎপাদকরা বোতলের আকার পরিবর্তন করেছে। তাছাড়াও ফেনসিডিলের বাজার দর লক্ষ্য করে এবং চাহিদার কথা বিবেচনা করে ফেনসিডিল উৎপাদকরা ছোট এবং বড় আকারের ফেনসিডিল সরবরাহ করছে।