ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

ঈদের আমেজ এখোনো কাটেনি। ঈদের বাড়তি আনন্দ ফুর্তিতে যেমন যোগ হয়েছে বেড়ানো, আড্ডা তার পাশাপাশি যোগ হয়েছে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠতে কিছু ওয়াইন, হুইষ্কিও। আর ফেনসিডিল তো আনন্দের খাবার হিসেবে রয়েছেই। ঈদ-তাই ব্যাস- সবাই। যোগাড় করে রাখতে হবে সব কিছু। তারই অংশ হিসেবে এক সচিব সাহেব সহ ৫ বন্ধু যোগাড় করে রেখেছিলেন প্রায় ২শ বোতল ফেনসিডিল। কিন’ বেরসিক ডিবি পুলিশ খবর পেয়ে বুধবার গভীর রাতেই অভিযান চালালেন। উদ্ধার হলো মাত্র ৭৫ বোতল ফেনসিডিল। সাথে সচিব সাহেব সহ ৫ বন্ধু। পদস’ সরকারি চাকুরে বলে কথা-তাকে হাতকড়া না পরিয়েই আনা হলো ডিবি কার্যালয়ে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করলেন, হ্যাঁ উদ্ধারকৃত ফেনসিডিলগুলো উনারই। তবে বাকী ফেনসিডিল কিছু খাওয়া হয়েছে আর কিছু বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হলো তাদের। বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) মামলা দেয়া হলো ১৯৭৪ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ২৫(বি) ধারায়।

ঘটনাটি ঠাকুরগাঁওয়ের। পুলিশের ডিবি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন জানালেন, গ্রেপ্তারকৃত ৫ জনের সবাই একে অপরের বন্ধু। তারা দীর্ঘদিন থেকেই ফেনসিডিল ব্যবসার সাথে জড়িত তবে প্রমান না পাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

গ্রেপ্তারকৃত সচিব, গোলাম আলী ওরফে লিটন ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউনিয়ন সচিব পদে কর্মরত। উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও শহরের বিভিন্ন ভাঙামালামাল দোকানীদের হিসেব মতে টোকাই ছেলেমেয়েরা তাদের কাছে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩শ এর মতো খালি ফেনসিডিলের বোতল নিয়ে আসে বিক্রি করতে।