ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

প্রতিটি রাজনৈতিক দলের একটি নির্দিষ্ট আর্দশ থাকে যেমন বিএনপি’র জাতীয়তাবাদী চেতনা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং আওয়ামী লীগের ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদ। কিন্তু অবাক করার মত বিষয় হলো এই যে আওয়ামী লীগের ধর্ম-নিরপেক্ষতাবাদ মতবাদটি বিশ্বে আর কোন দেশে খুজে পাওয়া যায়না, কেবল বাংলাদেশে এটি একটি প্রচারিত মতবাদ। সেকুলারিজম তথা ধর্মহীনতা মতবাদ কে কেউ ধর্ম-নিরপেক্ষতাবাদ বলে চালাতে চাইলে মানুষের অজ্ঞতার কারনে তা হয়তো কিছুটা চলতে পারে কিন্তু সফলতা অসম্ভব; কিন্তু এই আর্দশের বাহকগণ তা বুঝেও বঝেন না।

একটি আর্দশকে ধ্বংসের খুব সহজ পদ্ধতি হলো ঐ আর্দশের কিছু কুলাঙ্গার তৈরি করা। যেমন- ইসলামকে ধ্বংসের খুব সহজ একটি পদ্ধতি হলো ইসলামের বেশভূষ্স্যা, দাড়ী-টুপি ও নামধারী কিছ কুলাঙ্গার তৈরি করা; যারা ইসলামের লেবাস ধরে ইসলামের মূল বৈশিষ্টগুলোকে মানুষের সামনে ভূলভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে উপস্থাপন করে, মানুষকে পথভ্রষ্ট করে।

বাংলাদেশ ওলামালীগ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি অংঙ্গ সংগঠন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আর্দশ ধর্ম-নিরপেক্ষতাবাদ তথা সেকুলারিজম (অথাৎ ধর্মহীনতা মতবাদ)। আর সেকারনেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অংঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ ওলামালীগের মতাদর্শ ধর্ম-নিরপেক্ষতাবাদ তথা সেকুলারিজম (অথাৎ ধর্মহীনতা মতবাদ) হওয়া উচিত। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় বাংলাদেশ ওলামালীগ কি ধর্ম-নিরপেক্ষতাবাদ তথা সেকুলারিজম (অথাৎ ধর্মহীনতা মতবাদ) এর আর্দশ ধারন করে? বাংলাদেশ ওলামালীগ নামে তারা কিভাবে একটি সংগঠন গঠন করলো কারন তাদের আর্দশ তো ধর্ম-নিরপেক্ষতাবাদ তথা সেকুলারিজম (অথাৎ ধর্মহীনতা মতবাদ) এবং তারা নাকি ধর্ম-নিরপেক্ষ, তাহলে বাংলাদেশ হিন্দুলীগ নেই কেন?

তাই মনে প্রশ্ন জাগে বাংলাদেশ ওলামালীগ কি ইসলামী আর্দশ বহন করে! বাংলাদেশ ওলামালীগ কিভাবে ইসলামী আর্দশ বহন করবে! নাকি তারা ইসলামের মত একটি আর্দশকে ধ্বংস করার জন্য সৃষ্ট একটি দলাংশ। যাদের ধর্ম নেই তার তো চরিএ থাকার কথা নয়। কারন কোন বস্তু বা ব্যাক্তির ধর্ম = কোন বস্তু বা ব্যাক্তির চরিএ। এই কারনেই কি এসব নেতাগণ হোটেল মোটেলে রঙ্গ করেন আবার জনসভা করে ইসলামকে ভূল ব্যাখার ফুলঝুড়ী দিয়ে কুলোষিত করেন!