ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

There is no Medicine, only liquid like water, আমরা প্রাণীকূল সৃষ্টি হই ভালবাসার মাধ্যমে। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ভালবেসে সৃষ্টি করেছেন। প্রাণী জগতের প্রত্যেকটি জাতির মধ্যেই ভালবাসা বা আলিঙ্গন দৃষ্টিগোচর হয়। সেটা এভাবে যে, আমরা যখন কোন বিষয় নিয়ে কোন পজেটিভ বা নেগেটিভ বিষয় বুঝতে পারি তখনই আমাদের মধ্যে একটা আবেগ তাড়িত হয়। এই আবেগ আনন্দ, দুঃখ, ভালবাসা ইত্যাদি দেয়। আমরা একে অপরকে আবেগে জড়িয়ে ধরতে ভালবাসি। কোন নিঃশব্দ পরিবেশে জড়িয়ে ধরলেই আমরা আমাদের হৃদস্পন্দন শুনতে পাই। এই হৃদস্পন্দনই জীবন। এই হৃদস্পন্দন যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে মানুষের জীবন আর থাকে না। আমাদের দেশের হার্টের রোগীরা বেঁচে থাকার জন্য পুরোপুরি ঔষধ নির্ভর হয়ে চলছে। কিন্তু তাদের এই ঔষধ আসলে উপকার না করে অপকার করে যাচ্ছে। দেশের নামী-দামী কোম্পানীগুলোর মধ্যে এমন দুর্দশা দেখা যাচ্ছে। যেমন দেশের টপ লিডিং কোম্পানী ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস্‌ লিমিটেডের লোপিরেল প্লাস। এই ঔষধ সঠিক মান নিয়ন্ত্রিত না হয়ে বাজারে বিক্রয় হচ্ছে। ট্যাবলেটের ফয়েল খুলে দেখা যাচ্ছে ট্যাবলেট চুইঙ্গাম হয়ে গেছে। ড্রাইড ট্যাবলেট চুইঙ্গামের মতো নরম হয়ে গেলে তার মান নিয়ে আমরা কি ভয় পাবো না ? গ্রাহক ঔষধ ফেরৎ দিলেও কোম্পানী তা ফেরৎ নিচ্ছে না বরং নিশ্চিন্তে বিক্রয় করে চলেছে। সাধারণ গ্রাহক কিছু না বুঝেই এই সব ঔষধ সেবন করে যাচ্ছে। আমাদের জাতি পরিপূর্ণ ভাবে সুশিক্ষায় শিক্ষিত না হওয়ায় কতিপয় উঁচু সমাজের লোক এই সরলতা, দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে উঁচু সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকছে। আর কতদিন এরকম চলবে !!!

আপনারা কেউ কি বলতে পারেন ? সদ্য পাকিস্তানে হার্টের রোগীরা হার্টের ঔষধ খেয়ে একশত লোকেরও অধিক মারা গিয়েছে। সেখানে সংশ্লিষ্টরা গ্রেফতার হয়েছে এবং কোম্পানী গুলো বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে এরকম কত যে হার্টের রোগী নষ্ট ঔষধ খেয়ে মারা যাচ্ছে তার কোন ইয়ত্তা নেই। আর এসব সংবাদ আমাদের দেশে প্রকাশিত হলেও ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে। আসলে আমাদের জাতি কখন জেগে উঠবে তাদের মৌলিক অধিকার প্রাপ্তির জন্য। এতো গেলো হার্টের ঔষধের কথা। এবার আরেকটি সাধারণ বাহ্যিক ব্যবহারের ঔষধের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করি। ঔষধটির নাম ক্যারাসল ১২% ক্রীম। এই ঔষধটির টিউব কিনে সাধারণ গ্রাহককে প্রতারিত হতে দেখা গেছে এভাবে যে, টিউবের মধ্যে ঔষধের বদলে শুধুমাত্র পানি। এ ঔষধের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা কোম্পানীকে ফেরৎ দিলে তারা তা গ্রহণ করছে না। তাদের ভাষ্য হলো সারা বাংলাদেশে আমরা একই ঔষধ বিক্রয় করে যাচ্ছি, কোন সমস্যা হচ্ছে না। আসলে এটা কি তাদের মার্কেটিং পলিসির সুকৌশল গ্রহণ করে এড়িয়ে যাওয়া নাকি জলজ্যান্ত প্রতারনা। এই পরিস্থিতির জন্য আমরা কি মেডিক্যাল প্রতিনিধিকে নাকি কোম্পানীকে দায়ভার গ্রহনের জন্য বলব। কে নেবে দায়ভার ? দেশের সরকার বা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কি কোন সুদৃষ্টি ফেলবেন এ বিষয়ে?