ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

ইভটিজিং! এটা যে কতভাবে সংঘটিত হয়, না দেখলে বুঝা যায় না। দেশে আইন আছে। তবুও এটা সংঘটিত হচ্ছে। প্রতিনিয়ত আমাদের মেয়েরা- নারীরা এর শিকার! ইউল্যাবের পাশে সংঘটিত ঘটনা নিয়ে কয়েক দিন যাবত ব্লগে- ফেসবুকে আলোচনা হচ্ছে। পত্র-পত্রিকায় প্রতিদিনই খবর আসছে। আজ একটা খবর পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল। প্রেম প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কিশোরীর জিহ্বা কেটে নিয়েছে বখাটে। (খবরঃ আমার দেশ)

আবার কুলাউড়ায় এক ছাত্রীকে উত্তক্ত করে কৌশলে ভিডিও ধারণের মাধ্যমে বখাটে বাজারে ছেড়েছে। (খবরঃ নবযুগ ডট কম)

এই তিনটি ঘটনা এ সপ্তাহের। এরকম অনেক ঘটনা ঘটে, যা সামনে আসেনা।

এখন প্রশ্নঃ দেশে ইভটিজিং বিরোধী ক্যাম্পেইন হয়, এটা নিয়ে আইন আছে- তবুও কেন এ ঘৃণ্য কাজ বারবার হচ্ছে? তবে কি আইনে দুর্বলতা আছে? আইনের সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না? আমাদের এটা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। আর দেরি নয়- এখনই! প্রয়োজনে আইন পাল্টাতে হবে। করতে হবে কঠিন আইন।

প্রশাসন কে আরো গভীর মনযোগ দিতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে বখাটেদের শাস্তি। এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে ।

কেউ যেন আইনের ফাঁক দিয়ে বের না হয়- সেটা দেখতে হবে। আর আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের কাছে চাওয়া, অন্ততপক্ষে ঐ একটা ক্ষেত্রে তারা যেন দোষীদের পক্ষে তদবির না করেন ।

ইভটিজিং-এর প্রতিবাদ করে কেউ যেন হুমকির মুখে না পড়ে সেটাও প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিবাদকারীকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে হবে। আমি মনে করি , তখনই মানুষ বেশী প্রতিবাদী হবে-প্রতিরোধ গড়ে তুলবে । বখাটেরা ইভটিজিং করার আর সাহস করবে না।

বখাটেদের মন- মানসিকতা পরিবর্তন হবে না। এরা বখাটেই থাকবে। এ থেকে বাঁচার উপায় আইনের সঠিক প্রয়োগ।

anjir2oniruddho@gmail.com
miaanjir@yahoo.com