ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক ছাত্রদের দৌরাত্ম দিন দিন বেড়েই চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতপরশু কিছু মাতাল সাংবাদিক ছাত্রদের হাতে লাঞ্ছিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ অনুষদের তিনজন সম্মানিত শিক্ষক।এ রকম আরও অনেক ঘটনা সাংবাদিক ছাত্ররা প্রায়ই ঘটাচ্ছে,কিন্তু মিডিয়ার দাপটে ও ছাত্রনেতাদের সাথে সুসম্পর্ক থাকায় ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছেনা।আবাসিক হলগুলোতে তাদের দৌরাত্ন আরও বেশী।হলগুলোতে সাধারণ ছাত্ররা যে খানে একজনের বেডে দুইজন ঘুমায় সেখানে তারা বহাল তবিয়তে একজন ঘুমায়।এছাড়া সিঙ্গেল রুমগুলো মেধার ভিত্তিতে বন্টনের কথা থাকলেও, বন্টনবিধি তোয়াক্কা না করে সাংবাদিক ও ছাত্রনেতারা সমঝোতার মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে বন্টন করে নেয়।সাধারন মেধাবী ছাত্ররা সিঙ্গেল রুমগুলোতে থাকার সুযোগ পায় না।অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে্র কোন আইনে লেখা নেই সাংবাদিক ছাত্রদের জন্য আলাদা রুম বরাদ্দ থাকবে।তাহলে কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক ছাত্ররাই শুধু মেধাবী?

ছাত্রনেতারা সরকার পরিবর্তন হলে তাও হল ছাড়ে কিন্তু সাংবাদিক ছাত্ররা শিক্ষাকার্যক্রম সমাপ্তি হওয়ার পরেও বছরের পর বছর হলে অবস্থান করে।হলের ক্যান্টিন থেকে রুমে খাবার না পাঠানোর নিয়ম না থাকলেও ,সাংবাদিকদের রুমে নিয়মিতই খাবার পাঠাতে বাধ্য হন ক্যান্টিন পরিচালক।অনেক সময় বিল দিতেও এরা গড়িমসি করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।সাধারণ ছাত্ররা মনে করে, ছাত্র নেতারা ও হলের প্রাধ্যাক্ষ নিজদের অপকর্মের খবর যাতে প্রকাশ না পায় তার জন্য সাংবাদিক ছাত্রদের এ রকম অবৈধ সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে।যেখানে সাংবাদিক ছাত্ররা অন্যায়,অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলবে ,সেখানে তারা নিজ সার্থ রক্ষার জন্য সঠিক সংবাদ প্রকাশ করছেননা। এ জন্য অনেক সাংবাদিক ছাত্ররাই সাধারণ ছাত্রদের কাছে সাংঘাতিক নামে পরিচিত। এদের অপকর্মের ফলে সাধারন ছাত্রদের কাছে সাংবাদিকতার মহান আদর্শ প্রশ্নবিদ্ধ হচ্হে।