ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

বড় সড়কের পাশের ফুটপাত দিয়ে হাটছেন। দু’পাশে হকারদের দখল, মাঝে মধ্যে মোটরসাইকেলের হর্ণ আটকে দেয়। ভাবেন সড়ক থাকতে ফুটপাতে মোটর সাইকেল কেন? হকারই বা জনতার হাঁটার পথে কেন? এসব প্রশ্নের ঘুরপাক মাথায় নিয়ে যখন গন্তব্যে পৌঁছার সংকল্পে বিভোর তখন আরেকবার থমকে দাঁঁড়াতে হয়।

এবারের কারণ নয় হকার কিংবা মোটর সাইকেল। এক রাশ ধোঁয়া আপনার চোখে মুখে ছুড়ে মেরেছে কেউ। সামনে তাকিয়ে দেখলেন একজন ধূমপায়ী সিগারেটে টান দিয়ে ধোঁয়া ছাড়ছেন। ভাবুন একবার।

os

আপনি অধূমপায়ী হয়ে সিগারেটের যন্ত্রণা সহ্য করতে হচ্ছে। এখন যদি সামনের প্যান্ট শার্ট পড়া লোকটিকে থামিয়ে প্রশ্ন করেন- কেন প্রকাশ্যে ধূমপান করছেন? সে আপনাকে পাত্তাই দিবে না। আর যদি রগচটা হয় তবে উল্টো মসিবতে পড়বেন। তাই কেউ এ কাজটি করবেন না। বরং সিগারেটের ধোঁয়া হজম করেই আপনাকে পথ চলতে হবে।

এ জন্য কে দায়ী?

অনেক দিন হলো প্রকাশ্যে ধূমপান নিষেধ করে আইন হয়েছে। সে আইনে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে। প্রথম দিকে প্রশাসনের নড়াচড়া চোখে পড়েছে। তবে এখন এ নিয়ে যেন কারো কোন মাথা ব্যথা নেই। বরং প্রশাসনের অনেকেই প্রকাশ্যে ধূমপান করেন।

জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত করে বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। জরিমানা আদায়সহ শাস্তি দিচ্ছেন। প্রকাশ্যে ধূমপান নিয়ে কেন জানি অনীহা দেখান। এ আইনে জরিমানার পরিমাণ কম। অনেকের মতে জরিমানা বাড়িয়ে পাশাপাশি একাধিকবার অপরাধ করলে শাস্তির ব্যবস্থা রাখা উচিত।

প্রকাশ্যে ধূমপানের পাশাপাশি সিগারেট কোম্পানীর বিজ্ঞাপণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে কৌশলে কোম্পানীগুলো দোকানে দোকানে সিগারেটের বিজ্ঞাপণের কাগজ ঝুলিয়ে দেয়। এ ব্যাপারেও কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ে না।