ক্যাটেগরিঃ ব্লগালোচনা

সকাল দশটায় সিটিজেন জার্নালিজম বিষয়ক ওয়ার্কশপ-এর সময় ঠিক করা শুরুও হয়েছে যথা সময়ে। আমি দূরের যাত্রী, আমার পৌঁছাতে এক ঘন্টা লেট। ওয়ার্কশপ স্থলে পৌঁছাতে ওয়ার্কশপ সঞ্চালক কৌশিক আহমেদ ভাই একগাল হাসি দিয়ে যাত্রা পথের সকল ক্লান্তি দূর করে দিলেন অনায়াসে। এর আগে লিফটের প্রবেশ দ্বারে আইরিন সুলতানা আপা পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন, তার কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আপাকে অনেক ধন্যবাদ সহযোগিতার জন্য…।

সিটিজেন জার্নালিজম: ব্লগিং এর ভূমিকা ও গুরুত্ব নিয়ে গুরু গম্ভীর আলোচনা করলেন কৌশিক আহমেদ। আলোচনার ফাঁকে-ফাঁকে চা, কেক আর সিঙ্গরা পর্ব সারলাম আমরা। কৌশিক ভাই আলোচনায় বিরতী দিয়ে রাসেল ভাইকে সিটিজেন জার্নালিজম: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত সম্পর্কে আলোচনার জন্য ডাকলেন। রাসেল ভাই ব্লগের ইতিহাস এবং বাংলাদেশ প্রেক্ষিত ও ব্লগ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করলেন যা আমার অনেক কিছুই অজানা ছিলো। ধন্যবাদ রাসেল ভাইকে। এরপর আলোচনা করলেন আইরিন সুলতানা সিটিজেন জার্নালিজম: প্রযুক্তি সমন্বয় নিয়ে শুধু আলোচনা নয় হাতে কলমে দেখিয়েও দিলেন।

আলোচনার এক ফাঁকে কৌশিক ভাই আমাদের জানালেন যে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা আছে, আর তাই আইরিন আপার অলোচনা শেষ হওয়ার আগেই খাবার প্যাকেট আর প্লেট চলে এলো আলোচনার টেবিলে। খাবার আর আলোচনা পাশাপাশি চললো অরো কিছুক্ষণ।

ব্লগার চারু মান্নান, সবাক, জসিম, রাজ সোহান, হানী, শিমুল এরা আলোচনা পর্বে প্রশ্ন করে ওয়ার্কশপকে করে তুলেছেন প্রাণোচ্ছল। সকলের সাথে পরিচিত হতে পেরে নিজেকে একজন গর্বিত সিটিজেন জার্নলিস্ট ভাবতে লাগলাম।

সব কিছুইর সমাপ্তি ঘটে…ব্লগারদের নিয়ে বিডি নিউজ টুয়েন্টি ফোর ডট কম ব্লগের সিটিজেন জার্নালিজম বিষয়ে ব্লগারদের ধারণা শীর্ষক ওয়ার্কশপও এক সময় শেষ হলো। কিন্তু রেশ কাটলো না ভালোলাগা, ভালোবাসা আর সকলের আন্তরিক অংশগ্রহণ হৃদয়ে দাগ কেটে রইল অনন্তকালের জন্য…