ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা, ব্লগ সংকলন: সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড

ইত্তেফাকে প্রকাশিত একটি সংবাদে বলা হয়েছে সাগর-রুনি এটিএন বাংলার মালিক মাহফুজুর রহমানকে দায়ি করে জনৈক ব্যক্তি ফেইস বুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এতে আরো বলা হয়েছে জ্বালানি সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ না করার জন্য এটিএন বাংলার কর্ণধার রুনিকে চাপ দিলে রুনি সেটি মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারের জন্য সাগরের হাতে দেন। ঘটনার রাতে সেটি হস্তগত করার জন্য মাহফুজ তার ভাই রঞ্জুকে সাগর-রুনি’র ফ্ল্যাটে পাঠিয়েছিলেন। রঞ্জু আরেক ভাড়াটে খুনির মাধ্যমে সাগর-রুনি’কে অপ্রত্যাশিত হত্যার মাধ্যমে ল্যাপটপটি কুক্ষিগত করেন। পরে সাগরের এনার্জি বাংলা ডট কম ওয়েব সাইট থেকে ওই রিপোর্ট সহ আরো কয়েকটি রিপোর্ট গায়েব করে দেন।

হত্যাকাণ্ডের দুই দিনের মাথায় রঞ্জু দেশ ছেড়ে আমেরিকায় পালিয়ে যান। রঞ্জুর সঙ্গে সামিট গ্রুপের কোন ব্যবসায়িক সখ্যতা আছে কি না তা জানা যায়নি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাহফুজুর রহমানের উচিত হবে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের জবাব দেয়া। রঞ্জু আদৌ আমেরিকায় পালিয়ে গেছেন কি-না, গেলে কবে গেছেন, তাও বলা উচিত। ইত্তেফাকের ওই প্রতিবেদনে আরও প্রকাশিত হয়েছে যে, হত্যাকাণ্ডের পর দিন রঞ্জু গ্রেফতার হলেও মাহফুজুর রহমান প্রভাব খাটিয়ে রঞ্জুকে ছাড়িয়ে আনেন।

এটিএন বাংলার প্রধান প্রতিবেদক, অথবা সংবাদ প্রধানও বলতে পারবেন- রুনি’র কাছে আদৌ জ্বালানি সংক্রান্ত কোন স্পর্শ কাতর রিপোর্ট ছিল কি না!