ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

ঢাকা এক্সপ্রেস! ঢাকা-রায়পুর-ঢাকা লাইনে বহু দিন ধরে খুব নাম ডাক এর সাথে চলাচল করছে।

আমি নিজেও এই কোম্পানির খুব ভক্ত ছিলাম, কিন্তু গত ২০/০৯/২০১৫ তারিখে এই কোম্পানির প্রতি আমার একটা অনীহা চলে এসেছে, যদিও আমি রায়পুর লাইনের যাত্রি না কিন্তু আমার এক বন্ধুর জন্য গত ২০/০৯/২০১৫ তারিখে রাজধানীর মধ্য বাড্ডা থেকে টিকেট কাটতে গিয়েই শুনি যে টিকেটের দাম ৬৫০ টাকা, যা গত ১৭/০৯/২০১৫ তারিখে ছিল ৩৫০ টাকা, এবং আমার বন্ধু গত ১৭/০৯/২০১৫ তারিখে এই কাউন্টার থেকেই টিকেট কিনেছে। মাত্র ৩ দিনের ব্যাবধানে টিকেটের দাম প্রায় দুই গুণ হয়ে গিয়েছে।

কেন এই দাম বাড়ানো হয়েছে তা জিজ্ঞাসা করা হল কাউন্টার এর লোকটাকে। কিন্তু উনার একটাই কথা; আর তা হল আমি কিছু বলতে পারব না। আপনি হেড আফিসে চলে যান। এখন কথা হল বিভিন্ন কোম্পানি ঈদ এর সময় তাদের ইচ্ছে মত টাকা নিবে আর তা দেখার মত কেউই থাকবে না কেন? প্রতি বছর ঈদ এর আগে যোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে জানান হয় যে কোনও রোড এর ভাড়া বাড়ানো যাবে না। তবুও কেন এই দুর্নিতিগুলো কমানো যাচ্ছেনা, আমি মনে করি এই রকম ভাড়া বাড়ানোর প্রমান অনেকের কাছেই আছে, সরকারের উচিত এইসব প্রমান এক করে দুর্নিতিবাজ কোম্পানিগুলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। আর তা না হলে প্রতি ঈদে এই সব কোম্পানি মানুষের রক্ত পানি করা টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাবে আর এই ভাবেই আমাদের সহ্য করতে হবে।