ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

প্রতিবাদ জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। তাই কিছু লিখে সে ক্ষোভ মেটাতে চাই। পৃথিবীর আর কোথাও এভাবে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন করে অন্য দেশের চর কোন দেশে ঢুকে গেলে তাকে বিনা বিচারে ফেরত পাঠানো হয় এমন নজির নেই। এমনকি পৃথিবীর বল দর্পী যুক্তরাষ্ট্রের চোখ রাঙ্গানো এড়িয়ে তাদের গোয়েন্দাদেরও অন্যান্য দেশে অবৈধ প্রবেশের জন্য বিচারের সম্মুখীন হতে হয়। একটি দেশের গোয়েন্দা বা চর কোন সাধারণ মানুষ নয় যে ছেলে খেলা করে তাকে ছেড়ে দিলাম। বিদেশি চরদের অনুপ্রবেশ স্পষ্ট সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। তার জন্য প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় অনুপ্রবেশকারীকে বিচার করতে হয়। রোববার সকালে শেরপুরে মধু টিলা ইকোপার্কে টাওয়ার থেকে পর্যবেক্ষণকালে হাবিলদার দিলীপ কেদার নামক এক বিএসএফ’র গোয়েন্দা একটি পিস্তল ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার হয়। এবং কোন বিচার ছাড়াই সরকারের চাপে মধ্যরাতে কামালপুর সীমান্ত দিয়ে হাবিলদার দিলীপ কেদারকে (৪৩) বিএসএফ’র কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিজিবি জামালপুরের বিজিবি-৬ ব্যাটালিয়নের মেজর নাহিদ এর সত্যতা স্বীকার করেন। এভাবে কেন ছেড়ে দেয়া হল আর তার বাংলাদেশে অবৈধ প্রবেশের কারণ কি জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের পরীক্ষিত প্রতিশ্রুতিশীল বন্ধু। তাই ভারত বাংলাদেশকে এই মহানুভবতার মূল্য দিতে দেরি করেনি। মধ্যরাতে ফেরত দেয়া হয় চরকে আর ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা পরই দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা সীমান্তে এক বাংলাদেশিকে ধরে রড ও লাঠি দিয়ে বেদম পেটায়। ঘটনাস্থলেই জলিল মারা যান আব্দুল জলিল (৪০)। একই ঘটনায় নির্যাতিত আজিম উদ্দিন ও মোঃ গোলাপকে (৪২) বিএসএফ’র নির্যাতনে গুরুতর আহতাবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ ও দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হে খোদা আমাদের দেশকে তুমি রক্ষা কর। বিএসএফ’র হাত থেকে নয় কারণ আমরা রুখে দাঁড়ালে বিএসএফকে প্রতিহত করতে পারব। তুমি এদেশের সরকারগুলোর হাত থেকে আমাদের রক্ষা কর। এরা এদেশের কেউ নয়, এরা অন্যদেশের দালাল।