ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

এ দেশটা একটি সরকারের নয়। নয় কয়েকজন মন্ত্রী, এমপি, … । এ দেশটা সকলের। কিন্তু এ সরকারগুলোর সীমাহীন দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন আজ দেশটিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। সময় এসেছে তাদের রুখে দাঁড়াবার। আমরা চাইলে সব পারি। কারণ আমরা ব্লগার। আমরা প্রতিবাদ করতে জানি। আমরা প্রতিবাদ করব। আমরা চুপ করে থাকব না। আমাদের মেরুদণ্ড নিয়ে সোজা হয়ে দাড়াতে হবে। আর সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা মেনে নেওয়া হবে না। আর দেশে কোন বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চলতে দেয়া হবে না। আর কোন গুম হতে দেব না। আর সরকারের কোন দুর্নীতি নীরবে মেনে নেওয়া হবে না। সাংবাদিকদের হত্যার সর্বশেষ শিরোনাম “সাগর-রুনি খুন কিন্তু প্রশাসন নির্বিকার”। আর এ সব চলতে দেয়া হবে না। তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছি বলে যা খুশি তাই করবে। নো নেভার। এখন থেকে দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে। মানবতার জন্য কাজ করতে হবে। আমরা অতীতের অন্ধকার দূর করে দিতে চাই। এখন থেকে ঘরে ঘরে আবার আগুন জ্বলে উঠবে। যেখানে অন্যায় হবে সেখানে প্রতিবাদ হবে। আমরা অনেক রক্ত দিয়েছি অনেক প্রাণ দিয়েছি। আমরা আর পেছনে ফিরে তাকাবো না। আর এ দেশে কোন অনিয়ম চলবে না। আমরা সোনার বাংলাদেশ চাই।

এখন থেকে সরকারের প্রতিটি অকর্মের জন্য প্রতিবাদ হবে। সেটা শুরু হয়েছে সাগর-রুনি’র হত্যার বিচারের প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে। আমরা বিশ্বকে জানাতে চাই, দেখ, দেখ আমরা একটি সভ্য জাতি। দেখ কি করে চুপ করে থেকেও প্রতিবাদ করা যায়। অতীতের মত আর আমরা হঠাৎ চুপ হয়ে যাব না। আমরা শপথ করেছি আর চা খাব না। আমাদের এ সংগ্রাম চলবে।

সাগর-রুনি’র হত্যা বিচারের দাবিতে আমরা প্রথম প্রতিবাদ করেছি ৮ এপ্রিল। এখনও আমাদের প্রতিবাদ থেমে যায়নি। প্রতিবাদ তার নিজস্ব ভাষায় চিৎকার করছে। আমরা ব্লগাররা ১৫ এপ্রিল ২ ঘণ্টার জন্য আমাদের ক্ষেত্রে বিচরণ বন্ধ রেখেছি। এটি আমাদের প্রতিবাদের ভাষা।

প্রশাসন চুপ থাকবে। সরকার চুপ থাকবে। কিন্তু আমরা চুপ থাকব না। আমাদের জন্ম হয়েছে প্রতিবাদের জন্য। আমরা এক প্রতিবাদী মানব সমাজ। আমরা অন্যায় মেনে নেব না। আমরা সরব থাকব।

আরিফ হোসেন সাঈদ
১৬ এপ্রিল, ১২