ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

নাস্তিক মানে হলো ধর্ম নামক কাল্পনিক রূপকথা বিষয়ে যাদের সন্দেহ আছে, এবং নব্য-নাস্তিক হলো ধর্মের কু-প্রভাবের বিরূদ্ধে যারা সচেতন এবং ধর্ম ব্যবসার নগ্ন ও নোংরা দিকগুলি তুলে ধরে মানুষকে সচেতন করতে সচেষ্ট হয়।

ইসলাম অধ্যুষিত বাংলাদেশে নাস্তিকেরা তো আল্লার আইন নামের সোনার পাথরবাটির সমালোচনা প্রথমে করবে। পৃথিবী যেখানে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে সাধারন মানুষের মাত্র দুটি দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ধর্ম ব্যবসায়ীরা যখন আবোলতাবোল বকতে থাকে, তখন মুক্তচিন্তার ‘মানুষ’ই পারে সকল বৃষ বিষ্ঠা অবজ্ঞা করে মানবতার জন্য মৌলবাদীদের রুখে দিতে।

কোরান নামে যে পুস্তকটি সকলে আক্ষরিকভাবেই বিশ্বাস ও পালন করার মতো ভ্রান্তিতে নিমজ্জিত, তার উৎস ও সংকলন নিয়েই রয়েছে মৌলিক ভ্রান্তি। তার উপর ভিত্তি করে কিছু ‘তথাকথিত’ আলেম/মোল্লাই বরং দুঃসাহস দেখায় সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় আইনের বিরুদ্ধাচরণ করতে। একে এককথায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা আখ্যায়িত করা সম্ভব।

পৃথিবীর সৃষ্টির উৎস সম্পর্কে যেখানে বিজ্ঞান প্রতিদিন নতুন নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে আমাদের জানিয়ে দিচ্ছে কিভাবে এই মহাজগত্ আজকের অবস্থায় এসেছে, সেখানে অপ্রমাণিত অস্তিত্ব ঈশ্বরের কর্মফল হিসেবে জগৎ এসেছে, এধরনের বৃষ বিষ্ঠা যারা প্রচার করে, তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।

আর মৃত্যুর পর বিবিধ লোভনীয় অথবা ভয়াল স্থানের উল্লেখ করা হয়, তার কোনো প্রমাণ আজ অব্দি কেউ দেখাতে তো পারেনই নাই, বরঞ্চ দেখতে চাইলে তারা জানোয়ার উপাধি প্রদান করে নিজেদের আখের নিশ্চিত করার চেষ্টা চালান।

আজকের আধুনকি ও খোলা চোখের নতুন প্রজন্ম তাই বিরক্তির সাথেই প্রমান চায়। প্রমানের অভাবকে চাপা দেবার সবরকম বুলশিট ওরফে বল্দার্গু অথবা সুশীল বৃষ বিষ্ঠা তাই চলিত ভাষায় ‘পিছলানি’ নামে অভিহিত।

কোরান/হাদিস/বাইবেল/গসপেল/গীতা ইত্যাদি ইত্যাদিতে এদের সুনাম করা হয়েছে, সন্দেহ নেই, কিন্তু নিজের ঢোল নিজে পেটানো অন্তত যুক্তিতে টেকে না। আর যুক্তির অভাবে অপযুক্তি অথবা অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্যের অব-তাড়না ভণ্ডামির সামিল।

ফতোয়া জায়েজ করা হয়েছে জাতীয় ভ্রান্তিতে কেউ নিমজ্জিত হবে না, দয়া করে। যে কেউ ফতোয়া দিতে পারে, সেটাই বলা হয়েছে, কিন্তু ফতোয়া কোনো ভাবেই প্রজাতন্ত্রের প্রচলিত আইন বা বিচার ব্যবস্থার বিকল্প নয়। যারা এমনটা ভাবতে চান, তারা সৌদিআরবে হিজরত করতে পারেন।