বন্যায় ব্রিজের দুইপার্শ্বে সংযোগ সড়ক ধসে যাওয়ায় মানুষ, গবাদিপশু ও যানবাহন পারাপারের জন্য আদায় করা হচ্ছে টাকা। স্থানীয় কিছু লোক ঐ ব্রিজের বাঁশের সাঁকো বানিয়ে এ টাকা আদায় করছেন। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, টানা বর্ষণের কারণে গত রোববার ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ-বোচাগঞ্জ পাকা সড়কে সাগুনী রাবার ড্যামের পূর্বপার্শ্বের একটি ব্রিজের দুই পার্শ্বের সংযোগ সড়ক বন্যার পানির তোড়ে ভেঙ্গে যায়। স্থানীয় কিছু লোকজন ভেঙ্গে যাওয়া অংশে বাঁশের সাকো তৈরি করে জন প্রতি ৫টাকা, মোটরসাইকেল প্রতি ১০, রিক্সা বা ভ্যানগাড়ি প্রতি ২০ ও ইজিবাইক প্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা আদায় করছে । সাকো পারাপারে টাকা না দিলে আদায়কারিরা এ সড়কে যাতায়াতকারিদের সাধারণ মানুষকে অপমান-অপদস্তও করছেন। এতে প্রতিনিয়ত কথাকাকাটিসহ ছোটখাটো মারপিটের ঘটনাও ঘটছে।
স্থানীয়রা জানায়, গত সোমাবার থেকে এ চাঁদা আদায় শুরু করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট নাফানগর ইউপি চেয়ারম্যান সাহান পারভেজ মুঠোফোনে বলেন, ‘স্থানীয় কিছু লোক প্রাথমিকভাবে ১৫/২০ হাজার টাকা খরচ করে জনগনের যাতায়াত সুবিধা দিয়েছে। তাদের খরচকৃত টাকা উত্তোলনের জন্য সোমবার থেকে মৌখিকভাবে ৩ দিন টাকা আদায়ের কথা বলা হয়েছে।’
ব্রিজ পারাপারে এই চাঁদা আদায় বন্ধ ও ব্রিজের দুইপার্শ্বে ধসে যাওয়া সংযোগ সড়ক দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সুকান্ত কুমার সাহা বলেছেনঃ
এখানে টাকা নেওয়ার হারটা অনেক বেশী! এটা নিশ্চিতভাবেই ‘সুবিধার দেওয়ার বিনিময়ে চাঁদাবাজি’। তবে মনে রাখতে হবে এই বর্ষার সিজনে গ্রামে-গঞ্জে এরকম বহু পুল/সাঁকো বানানো হয়েছে এবং হবে। এথেকে কিন্তু মানুষ উপকারও পায়। ছোটবেলায় আমাদের এলাকায় দেখতাম ‘পাটনি সম্প্রদায়’ এই সেবা দিত। তারা মাসোহারা বা ধান-গমের বিপরীতে পাশাপাশি চলিত পথের পথিকদের নিকট থেকে চার আনা, আট আনা করে নিত। এখন বড়জোড় এক টাকা নিতে পারে এরা।
রাশেল জামান বলেছেনঃ
একমত
আমিনুর রহমান হৃদয় বলেছেনঃ
সুকান্ত দাদা — আপনার মন্তব্যের সাথে একমত। তবে একটা বিষয় হচ্ছে পারাপারে এই টাকা ৪-৫ দিন ধরে তারা তুলছে। তাদের খরচ ও পরিশ্রমের টাকা প্রথম দুই দিনেই উঠে গেছে। কেননা এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। তাদের খরচ উঠে যাওয়ার পরও যদি পারাপারে তারা টাকা নেয় তাহলে এটি কি চাঁদাবাজির মধ্যে পড়ে না…….
নিতাই বাবু বলেছেনঃ
এটা চাঁদাবাজির আওতায়য় পড়ে না। কারণ, এখানে যারা টাকা নিচ্ছে, তারা খুব পরিশ্রমের ও অর্থ বিনিয়োগ করেছে। করেছে শুধু মানূষের উপকারের জন্য, অন্যকিছুরর জন্য নয়। টাকা নিচ্ছে ভালো কথা, সুন্দরভাবে পারাপারতো হচ্ছি! তা-হলে অসুবিধা কোথায়? যারা এ ব্যাপারে মাথা ঘামাচ্ছে, তারা তাদের নিজের টাকা খরচ করে সাঁকো বানিয়ে দিক_মানুষ নিরাপদে যাতায়াত করুক। তা মনে হয় নিশ্চয় কেউ করবে না।
রাশেল জামান বলেছেনঃ
হাহাহা!! নিতাই দা! কবি তো এখানেই নিরব হয়ে যায়!! 😆