ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

শিক্ষকরা জাতির মেরুদণ্ড, কথাটা কতটা সত্যি তা আমার জানা নাই। বড় বড় জ্ঞানী ব্যাক্তিরা শিক্ষকদের গুরু মেনে প্রশংসার ফুলঝুরি ছড়িয়ে থাকেন। শিক্ষক সবসময়ই শিক্ষক সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হোক আর পাঠশালার শিক্ষক হোক। শিক্ষার ভিত গড়েন প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষকরা। অ আ শিখান তারা, কিন্তু আজ প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদেরই রাস্তায় নামতে হচ্ছে। জ্ঞানীরা বলে থাকেন দেশকে উন্নতি করেতে হলে দেশের মানুষকে শিক্ষিত করুন। সহজ এবং সুন্দর কথা। ভালোই লাগে এসব কথা শুনতে। আচ্ছা জাতিকে কারা শিক্ষিত করবে, শিক্ষকরাই তো করবে জাতিকে শিক্ষিত। সুতরাং, শিক্ষকরাই জাতির উন্নতির ধারক ও বাহক কিম্বা বলতে পারেন চালক।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় যে, আজ যারা জাতির উন্নতির চালক তারা বেতন ভাতার জন্য রাস্তায় নামছে। শিক্ষকরাও তো মানুষ ওদের ও তো পেট আছে, ওদেরও তো জীবন আছে। আজ আমরা দেশের উন্নতির কথা বলছি, ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ কারা গরবে? তরুন প্রজন্ম বাংলাদেশকে ডিজিটাল করবে। শিক্ষা গ্রহন ব্যতীত ডিজিটাল বাংলাদেশ কেনো এনালগ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব না।

বাংলাদেশের শিক্ষক পেশায় আজ কোন মেধাবী আসতে চায় না। কারণ শিক্ষকতায় আয় কম। তাও জারা দায় পড়ে আসে তারা ছুটছে কোচিং ব্যবসায়, কারন শিক্ষকরা যা বেতন পায় তাতে তাদের সংসার চালানো সম্ভব নয়। সে কোচিং ব্যবসার উপরও আসছে নিষেধজ্ঞা। তাহলে শিক্ষকরা যাবে কোথায়।

দেশকে যদি সত্যি ই উন্নতি করতে চাই তাহলে আমাদের শিক্ষার প্রতি মনযোগ দিতে হবে, শিক্ষকদের বেতন একটা ভালো মানের হতে হবে, তাতে হবে কি ভালো মেধাবীরা এই পেশায় আসবে। আর মেধাবীদের শিক্ষায় দেশ মেধাবী হবে।