ক্যাটেগরিঃ স্যাটায়ার

(ইহা একটি কল্পনাপ্রসূত কাহিনী, কোন বাস্তব ঘটনা বা ব্যক্তির সাথে সাদৃশ্য কাকতাল মাত্র)

“কেন যে ফিরে যেতে পারলাম না” মনে মনে ভাবলেন রাখাল বাহাদুর “ফিরে যেতে পারলে হয়ত আগের মত খেলা হতো পুতুলের ।”

স্মৃতির কোথাও প্রাণের এই বান্ধবীর সাথে পুতুলের ঘর-বিয়ে খেলা হয় নাই, আর হবেই বা কী করে ? প্রথম পরিচয় যখন তখন নিজের কোলে রাজনীতি (থুক্কু রাজ নাতি) আর বান্ধবীর সাথে ভবিষ্যত রাজপুত্র। তখনতো তাদের গাড়ি-বাড়ি নিয়ে খেলার কথা। তারা সেই খেলায় মেতেছিল কিনা সেটাও মনে পরছে না। বারবার মনে পরছে বছর কয়েক আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাটা। কী এক হুজুগে বান্ধবীর বাড়িটাই ভেঙ্গে দিলাম। মনের কোনায় কী যেন একটা খচকচ করছে। নাহ মনে হয় সময় চলে এসেছে ভুলগুলো ঠিক করার।

যে ভাবা সেই কাজ, কাউকে না কাউকে দিতে হবে দায়িত্ব, কিন্তু কাকে দেয়া যায় ? কেন যে শহরের প্রধান দারোয়ান কে বদলি করা হল। ব্যাটা থাকলে ভালই হত। বুদ্ধী আছে ভদ্রলোকের। রান্নার মশলা দিয়ে কী সুন্দর স্প্রে করে, আহা ! ভবলেই মনটা ভরে যায়।

যাই হোক, ওই ব্যাটার বাহিনীকেই কাজটা দেয়া যায়। আচ্ছা কী কী লাগবে বাড়ী বানাতে ? রড – সিমেন্ট – ইট – সুরকি এইতো। অহ হ্যা বালি লাগবে। যেই ভাবা সেই কাজ। ভালোবাসার জন্য বলে কথা। কয়েকটা স্যাম্পল পাঠাই।দু-এক ট্রাক পাঠালেই হবে ।

কাল-বিলম্ব না করে নিধিরাম সরদারকে জানান হল ইচ্ছের কথা। প্রান সখা যেখানেই থাকুন না কেন, তোফা যেন সময়মত পউছে যায়।

দিন না গড়াতেই পৌছে গেল বালু আর সুরকির ট্রাক। একটা বা দুটো না, এগারটা।

বেশ ভালোই লাগছে রাখাল বাহাদুরের । খালি একটা জিনিষ ই বাকি, ‘রড’ বাজারের সব রডই নাকি ভালো, কোনটা পাঠাই ? বাজারের সব রডই নাকি ভালো !