ক্যাটেগরিঃ স্যাটায়ার

(ইহা একটি কল্পনাপ্রসূত কাহিনী, কোন বাস্তব ঘটনা বা ব্যক্তির সাথে সাদৃশ্য কাকতাল মাত্র)

 

বেশতো কাটছিল সেই বছর গুলো। নিঃসঙ্গ বাঘিনীর পার করে দেয়ে গোটা কুড়ি বসন্ত। মৃত বাঘের সমাধিতে রুটিন করে ফি বছরে যাওয়া আসা আর সন্তানদের লালন-পালন। গর্ভজাত সন্তান দুটি রাজপুত্র হলেও অনুসারিদের কেও সময় দিয়ে হয়। সব মিলিয়ে দশটি বছর আগের কথাগুল বেশ মনে পরছে। কিন্তু সময়ের পরিহাস কি নির্মম, নিজের প্রান সখা যে কিনা বন্দিশালাতে নিজে বন্দিনী হয়ের রাজ নন্দিনীর ন্যায় নিজ হাতে রান্না করে খাইয়েছে, সেই প্রানসখা আজ বড়ই দূরে, কখনো বা মনে হয় তার জন্যই হয়তবা প্রিয় সন্তানেরা আজ দূরে।

নিজেকে সবসময় মেলে রেখাছিল মতা বৃক্ষের মত, যার বিশাল ছায়াতটে এক সময় ছিলে বিশাল এক তৃণভূমি, আজ যেন নিজে সেই তৃণভূমিতে অবাঞ্ছিত। প্রাণসখার উপঢৌকনে পসার চারপাশে, বালু, ইট আরো কতকি। প্রাচীর ঘেরার ধামাডোল বাঝে চারপাশে।

তড়িৎ ভাবনায় আসে, “আমিতো সেই মহাতরু যে কিনা আশ্রয় দিয়েছিল ভিনদেশের আদর্শে বিশ্বাসীদের, শতকরা দশ আনার হিসাবে শিখিয়েছিলাম পুত্রদের, হাজার ছাত্রকে করেছি অনুশারি, সেই আমি কী বিস্ত্বত ছায়াতট নই?”

সিদ্ধান্ত নিতে আর দেরি হয়না “আজ থেকে আমি হব বটবৃক্ষ, আমার দপ্তরেই হবে আমার পাদবেদী”