ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

mobile-apps

স্মার্টফোন ব্যবহারে দেশ পিছিয়ে নেই। আর পিছিয়ে নেই মোবাইল ব্যাংকিং-ও। স্মার্টফোন মানেই তো ফেসবুক, হুয়াটস আপ, স্কাইপি, ই-মেইল সহ কতশত অ্যাপস। টকিং টম আর আর এনজেলা এর কথা না হয় বললাম না। এর বাইরেও হাজারো অ্যাপলিকেশন (স্মার্ট ফোনের স্মার্ট ভাষায় যা কিনা অ্যপস)। স্মার্ট ফোন এর বাজারে সবচেয়ে এগিয়ে (ফোনের অপারেটিং সিস্টেমের দিক থেকে) এনড্রয়েড। এছাড়া আই-ওস, বা উইনডোজ এর বাজারও খারাপ না। আর এক্সিকিটিভ শ্রেনীর পছন্দে আছে ব্লাকবেরি সহ আরও কিছু প্লাটফর্ম।

এনড্রয়েডের কথা যখন আসে, তখন কথা আসে গুগল প্লে-স্টোরের। প্রতিদিন হাজার হাজার অ্যপস যুক্ত হচ্ছে, যার কোনটা আসছে ব্যক্তি উদ্যোগে আর কিছু আসে প্রাতিস্থানিক ভাবে। কোন সফটওয়্যার ফার্ম বিশেষ করে উচ্চ রেটিং আছে এমন সফটওয়্যার ফার্মের অ্যপস্ গুলো যেমন কিছু সহজ ইউজার ইন্টারফেস রাখে তেমনি সহজে সবার কাছে থাকে গ্রহনযোগ্যতা। এই ধারায় যুক্ত হতে বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রতিস্থান ও অনলাইন শপ নিয়ে আসছে অ্যপস।

সমস্যার শুরু এখানে। নিজের ব্যাংক একাউন্ট এর পাসওয়ার্ড থেকে শুরু করে অনেক স্পর্শকাতর তথ্য থাকছে আমাদের স্মার্ট ফোনে আর সেই সাথে হয়তো আমরা ইন্সটল করছি নতুন কোনো সফটওয়্যার। কৌতূহলের বসে, কোন গান বা ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য ইন্সটল করা সফটওয়্যারে থাকতে পারে এমন কোন বাগ বা ব্যকডোর যা ঠেকে হয়তো হারাতে হবে নিজের ব্যাংক একাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। তবে কী কোন সমাধান নেই ? ভাবনায় আনা যেতে পারে

০১। যেই ব্যাংকিং অ্যাপস নামানো হলো সেটা কি আসলেই নিরাপদ?
০২।যেই অনলাইন শপের অ্যাপসে ব্যাংকিং ইনফরমেশন দেয়া হলো, সেই অনলাইন শপ কি নিরাপদ?
০৩। অজানা কোন অ্যাপস কি ইন্সটল না করলেই না?
০৪। নিয়মিত কি অ্যপলিকেশন ক্যাশ ক্লিয়ার করছি?
০৫। একটা অ্যন্টিভাইরাস বা ম্যালওয়াটর প্রটেক্টর ব্যবহার করা খারাপ না নিশ্চয়?