ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

উপেরাক্ত শিরনামের প্রসঙ্গটি সাম্প্রতিক গুম-খুন, হরতাল, জ্বালা পোড়া এসবের নীচে অনেকটা চাপা পড়েতে যাচ্ছে অনেকইটাই। তবু এর গুরুত্ব আমি অনুধাবন করেই এ লেখাটি প্রকাশ করার ইচ্ছা রাখছি।

আমার প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে সরকারের কাছে, সব ব্যাপারে কি সাংবাদিক বা সংবাদপত্র গুলো সরকারের বলবে এই ব্যাপারটা অবৈধ বা সরকারের অগোচরে এসব হচ্ছে? এট কি তাদের দায়িত্ব? সরকারের বিভাগ গুলো আছে তাহলে কি করার জন্য? সাংবাদিক বা সংবাদপত্র গুলো বলবে আর তারা এ্যাকশানে নামবেন? হুংকার দেবেন- ভাল হচ্ছে না বন্ধ কর।

ডেসটিনির ব্যাপারে আগে কেন পদক্ষেপ নেয়া হলো না কেন? এটি আর একটি যুবক ছাড়া আর কিছু হচ্ছে কি? সরকার এখন বলছে সাধারন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য তারা এসব করছেন। যুবক এর ব্যাপারে এরকম ছিল। কয়জন সাধারন বিনিয়োগকারীর স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে?

এতগুলো প্রতিষ্ঠানের মালিক ডেসটিনি? এতদিন ধরে অবৈধ ব্যবসা করলো আর সরকার কিছুই টের পেল না? নাকি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা? এভাবে কত ডেসটিনি সৃষ্টি করার সুযোগ দেয়া হবে? সরকারের সংশিষ্ট বিভাগ গুলোর দেখে না দেখার ভান করা থেকে বিরত থাকার আহবান থাকবে।

সাধারন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ শেষ পর্যন্ত রক্ষা হবে না, স্বার্থ রক্ষা হবে আমীন গংদের। আমাদের সচেতনতা পারে এমন এমএলএম প্রতিষ্ঠানের জন্মদান রুখতে।