ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বাংলাদেশ আজ চরম দু:সময়কাল অতিক্রম করছে। যতই সময় অতিক্রম করছে , ততই মনে হচ্ছে ঘোর অমানিষার দিকে আমরা যাচ্ছি। যে উদ্দেশ্যের বেদীমুলে বাংলাদেশ নামক একটা রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল, মনে হচ্ছে তা আজ সময়ের কালাবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের স্মৃতিপট থেকে। মনে হচ্ছে দানবের সাথে বসবাস করতে হবে। মানবতার নামধারী ফেরারীরা আজ দানব।

সাম্প্রতিক সময়ে যে শব্দটি মানবতার ধ্জাধারীরা ব্যবহার করছে সেটি হল সংলাপ। সংলাপ কি সঙলাপকারীদের সাথে হবে? যারা সংলাপের কথা বলে তারা কাদের প্রতিমা ? গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামাবলী গায়ে লাগিয়ে সাধারন মানুষকে পেট্রোল বোমায় জ্বালানোর সংস্কৃতি কি গণতন্ত্রের বার্তাবহ? যারা মানবতার কথা বলে , তারা কি কখনো পেট্রোল বোমার হামলাকারীদের বিচারের কাটগরায় দাড়াঁনোর কথা বলেছে? বরং প্রশাসন কতৃক তাদের বিচারের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নামে জিগির তুলেছে।

বাংলাদেশ আজ শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর জন্য খুব প্রয়োজন। তাদের সাম্রাজ্য বিস্থার এবং দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা বিনাশ, পাশের দেশগুলোর নজরদারির জন্য , গণতন্ত্রের ফেরারী শক্তিগুলোর সাথে জঙ্গীউদ্গাথার পেছনে তাদের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে তা সাম্প্রতিক বিশ্ব ইতিহাস থেকে প্রমান রয়েছে।

সফল সংলাপের জন্য নিন্মোক্ত মৌলিক বিষয়ে সুদৃড় অঙ্গীকার প্রযোজন——-

১. অ-সাম্প্রদায়িক চেতনা

২. জঙ্গীবাদকে কঠোর হস্তে দমন

৩. চলমান মানবতা বিরোধী এবং জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম সচল রাখা

৪. চলমান মানবতা বিরোধী বিচারব্যবস্থা সচল রাখা

৫. বাংলাদেশ জন্মের পেছনে যে নেতৃত্বের নেতৃত্বে জন্মলাভ করেছে তাঁকে যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করা।