ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

উঠছে তো উঠছেই।এ ঘুড়ির সুতাও নেই মালিকও নেই। যেমন খুশি উড়তেই থাকে লাগাম টানবার কেউ নেই।পুরো পাগলা ঘোড়া।দ্রব্য মুল্যের এই উর্ধ্বগতি আজকের নতুন কথা তা নয়।কিন্তু কেউ বলতে পারবেনা অমুক সময় একটু কমছিল বা কমেছিল।জীবনে এই প্রথম দেখলাম ধানের মৌসুমে চাউলের দাম বাড়ে! বাজারে কোন প্রকার নিয়ন্ত্রণ নেই।একই বাজারে পাশাপাশি দোকানে একই পণ্য দুরকম দাম চায়।প্রশ্ন করলে আগুন হয়ে,যায় নাজানি কত অপরাধ হয়ে গেছে। অনেক সময় জিজ্ঞেস করে বসে আমি এ দেশের বাসিন্দা নাকি রোহিঙ্গা অথবা মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছি কিনা! ইত্যাদি।বিষয়টা দাড়িয়েছে যে যা করছে করতেই থাকবে কিছুই বলা যাবেনা। একটা গল্প মনে পড়লো,জনেক ব্যাক্তি অপর এক ব্যাক্তির ফসলের খেতের মাঝ দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় খেতের মালিকের চোখে ধরা পড়ে যায়।মালিক তাকে গালমন্দ করতে থাকলে সে খেতের মাঝ থেকে বের হয়ে যাবার উপক্রম হয়।কিন্তু মালিক তাকে দিগুণ তেজে গালমন্দ করতে থাকে,এই আমার ফসল নষ্ট হয়ে গেল!বেচারা উপায় নাই দেখে প্রশ্ন করে,আমি তাহলে কি করবো? খেতের মালিক উত্তর করে,তুমি “কি ও” করতে পারবেনা।বাজারে ব্যাবসায়ীরা যদি শরীরের গোস্তও কেটে নেয় তবু থামানোর কেউ নেই এবং “উস” করাও যাবেনা!
যাক কি আর করা মনের সুখে(?) আসুন সবাই গান ধরি,কারে দেখাবো মনের দু:খ গো আমি বুক চিরিয়া……..