ক্যাটেগরিঃ দিনলিপি

 

বৃষ্টি
এবারের ঈদ শুরু হয়েছে বৃষ্টি দিয়ে। প্রতি বছর মাঠেই নামাজ পড়ি। এবার বৃষ্টির কারনে মসজিদে নামাজ পড়েছি।

বাবার কবর জেযারত
নামাজ শেষে বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে বাবার কবরে গেলাম জেয়ারত করতে। ছাতা একটা ছিল কিন্তু তা নাথাকার মত।

মুরুব্বিদের ছালাম আর কোলাকুলি
বাসায় এসে মাকে আর বড় আপাকে সালাম করলাম। বড় আর ছোট ভাইয়ের সাথে কোলাকুলি সারলাম।

ঘোড়া ফেরা /বেড়ানো
বৃষ্টির জন্য কোথাও বের হতে পারিনি। বাসায় বসে টিভি দেখা আর মজার মজার খাবার খাওয়া ছাড়া কোন কাজ ছিল না। দুপুরে এক বাসায় গেলাম ওমা যে বৃষ্টি শুরু হলো আর থামার নাম নেই। আর বাড়ীর মালিক এ সুযোগে একটার পর একটা আইটেম খাওতেই লাগলেন। খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে গেলাম।

শুভেচ্ছা বিনিময়
ফেসবুক থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। মোবাইলে ব্যলেন্স ছিল না। মসজিদে নামাজ শেষে কোলাকুলি করে শুভেচ্ছা জানিয়েছি।

খাওয়া দাওয়া
মাশাল্লা! ভাল খানপিনা হয়েছে। সেমাই, ফিন্নি, পায়েস, চটপটি, হালিম, খিচুরি মাংস, বিরানী এগুলো সাথে আছে সফট ড্রিংকস ।

অসুখ বিসুখ

যে পরিমান পেট লোড হয়েছে তার পরিনতিতে পেট খারাপ হলো। বাথরুম স্থায়ী ঠিকানা। আল্লাহর সুকরিয়া একদিন ভুগিয়ে পেট আবার শান্ত হয়েগিয়েছিল।

বকসিস/ সেলামী/ঈদী
বয়স হয়েছে না! কেউ এখন আর বকসিস দেয় না। নেয়। তবুও বড় আপা এবার আমাদের সাথে ঈদ করায় কিছু টাকা বকশিস পেয়েছি। তবে ভাগিনা- ভাগনি আর ভাতিজা -ভাতিজিকে সেলামি দিতে হয়েছে আরো বেশী।

অতিথি আগমন
আমার বাসায় আমার তেমন কোন অতিথি আসেনি। মসজিদ কমিটির কিছু লোক আর ইমাম সাহেব এসেছিল। তারা কোন ঝামেলা করতে নিষেধ করল। আমি বললাম একটু চটপটি খান। যাও তারা রাজি হল কিন্তু চটপটি বানাতে বানাতে দেরি হওয়ায় তারা উঠে পরল। অতপর কিছু না খেয়ে চলে গেল। মনটা খুবই খারাপ হল।
এবারের ঈদে বৃষ্টি থাকায় যদিও কোথায় তেমন যাইনি তথাপি বাড়ী ভর্তি আত্মিয় স্বজন, পোলাপান হাউকাউ সবমিলিয়ে ঈদের দিনটি খুশিতেই কেটেছে।