ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

গ্রাহকদের আমানত যাতে যুবক ফিরিয়ে দেয় তাই যুবক কমিশন গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। কমিশনের মেয়াদ আর বেশী দিন নেই। অথচ গ্রাহকদের টাক উদ্ধারে কমিশন কোন অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। এ বিষয়ে কমিশন বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের কোন ফান্ড দিচ্ছে না। ফলে তারা কার্যক্রম সঠিক ভাবে চালাতে পারছেনা। যুবক গ্রাহকরা এহেন পরিস্থিতিতে দিশেহারা অবস্থায় আছে। এদিক যুবক থেকে বলা হচ্ছে তারা জমির মাধ্যমে তাদের দায়-দেনা শোধ করছে। এভাবে ২০১৪ সালের মধ্যে তারা পরিপূর্ণ ভাবে দায় মুক্ত হতে পারবে। তাদের মতে তাদের হারানো সম্পদ যা লুটেরারা জোর করে নিয়ে নিয়েছে তা উদ্ধার করা গেলে তার আয় থেকে দায়-দেনা পরিশোধ আরো সহজ হবে। তাদের কাছে আরো জানা যায় যে, মইনু-ফখরউদ্দিন আমলে যুবক তাদের অন্যতম প্রচার মাধ্যম আর.টিভি. অবৈধ চাপের মুখে বিনে পয়সায় ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। বর্তমানে এটি বেঙ্গল গ্রুপের দখলে আছে। এতে যুবকের ৫৭% শেয়ার রয়েছে। এছাড়া যুবক ফোন ঢাকা ব্যাংকের ঋণ ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে মান্নান গং এর দখলে রয়েছে।

যুবক কমিশনের বরাদ দিয়ে কিছুদিন আগে সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয় যে যুবক তাদের বান্দরবনের রাবার বাগান বিক্রি করে দিচ্ছে। এ বিষয়ে কমিশন এর কোন ক্ষমতা না থাকায় তারা কিছু করতে পারছে না। প্রশ্ন হল যুবক একটি বিলুপ্ত প্রায় প্রতিষ্ঠান। এই অবস্থায়ও যদি তারা তাদের সম্পদ বিক্রির ক্ষমতা রাখে তবে যুবক কমিশন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান হয়ে কেন যুবক এর সাথে পেরে উঠছে না। কমিশন গঠনই হয়েছে জনগনের আমানত যাতে সুষ্ঠ ভাবে ফিরিয়ে দেবার ব্যবস্থা করা হয় এই কারনে। তারা যদি বলে তাদের ক্ষমতা নেই তবে তো যুবক গ্রাহকরা হতাশ হয়ে যাবে। তারা এতোদিন ধরে বড় আশা করে অপেক্ষা করছে তাদের আমানত ফিরে পাওয়ার জন্য।

যুবক থেকে বলা হচ্ছে তারা জমি মাধ্যমে দেনা পাওনা পরিশোধ করছে অথচ যুবক কমিশন তাদের কোন প্রকার সহায়তা করছে না। তারা গ্রাহকদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে। ফলে তাদের দায়-দেনা পরিশোধ কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্চে।

যুবক কর্তৃপক্ষ আর যুবক কমিশন এই দুইয়ের মাঝে পড়ে যুবক গ্রাহকরা বর্তমানে শংকায় আছেন। যুবক কমিশন কি পারবে তাদের টাকা ফিরিয়ে দিতে?