ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

 

বর্তমান সরকার এর নির্বাচনি কমিটামেন্ট হলো বেকারত্ব দুর করা। নতুন নতুন বেকারদের চাকরি দিয়ে যুব সমাজকে রক্ষা করা। চাকরি দেওয়ার জন্য চাই চাকরির ক্ষেত্র তোরী করা। সরকারের একার পক্ষে তা সম্ভব নয়। আর তাই বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠান/কোম্পানী গড়ে উঠেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়কার সরকারী সহায়তায় নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ অবৈধ ভাবে এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছে। কিন্তু প্রাথমিক অবস্থায় তখন তা কোন সরকারই যাচাই করেনি। ফলে তাদের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান ১০ বছার বা একযুগ বা তারো বেশী সময় ধরে তাদের ব্যাপ্তি ঘটিয়েছে। আর এতে সময় সময় সরকারী মন্ত্রী আর আমলারা তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে সহায়তা করে মদদ দিয়েছে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি সাধারণ মানুয়ের বিশ্বাস জম্মেছে। তারা তাদের সাথে লেন-দেন করেছে। এই লেন -দেনের জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয় আর তাতে সরকারী কর্তা ব্যক্তিরাই অতিথি হয়েছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে লাখো লাখো বেকার যুবক চাকরী রত। দু বেলা দুমুঠো অন্ন সংস্থান হওয়ায় তারা নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে। এ অবস্থায় যদি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবৈধ হওয়ার অভিযোগে বন্ধ করা হয়। তবে লাখো যুবক চাকুরী হারাবে। নতুন বেকারের পাশাপাশি পুরানো বেকার যোগ হয়ে বেকার সমস্যাকে ঘনিভূত করবে।
আর তাই এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের জন্য আইন করে বৈধ ভাবে কাজ করার ব্যবস্থা করা উচিত। খালেদা-নিজামী সরকারের আমলে বন্ধ হলো যুবক একই অযুহাতে। তখন বেকার হযে পরেছিল লাখো যুবক। আর এবার হুমকির মুখে ডেসটিনি। এভাবে কি সমস্যর সমাধান হবে? না সমস্যা আরো বাড়বে? সরকারকে ভেবে দেখতে হবে।
এসব প্রতিষ্ঠানে যারা লেন-দেন করেছে, এসব প্রতিষ্ঠানে যার চাকুরী করছে তারা আমাদের বাপ-মা – ভাই -বোন। আর আমদের নিয়েই রাষ্ট। আমাদের জন্যই রাষ্ট্র। আমরাই জনগন। পেটে লাথি খাওয়অ এসব জনগোষ্ঠিকি আর আপনাদের ভোট দেবে? ভেবে দেখুন।

মাঝপথে কোন কিছু থামিয়ে দিলে সমস্যা হয়। এটা যেমন দেহের শরিরের ক্ষেত্রে সত্য তেমনি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও সত্য। তাই পরিকল্পিত ভাবে ঠান্ড মাথায় এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন। আবেগ নয় বাস্তবতা বুঝুন।