ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বর্তমানে হঠাত করে জামাতে ইসলামী তাদের পরিচিতি আবার তুলে ধরার চেষ্টা করছে। যদিও হানিফ সাহেব বলেছেন তাদের আবার গর্তে ঢুকয়ে দেবেন। আমার কথা হলো তাদেরকে গর্ত থেকে আপনারাই কি বের করেন? তা নাহলে গর্তে ঢুকাবার কথা বলছেন যে বড়। বিএনপি শরিক দল জামাত। জামাতের বিষযে বিএনপিতে বর্তমানে তেমন কোন আগ্রহ অনাগ্রহ কিছুই চোখে পড়ছেনা। পুলিশের সাথে সেদিন জামাত শিবিরের এতোবর সংঘর্ষ হয়ে গেল তাদের কোন কমেন্টস পেলাম না। খালেদা জিয়ার ভারত সফর এর পর পত্রিকার খবর জামাতের সাথে বিএনপি আর থাকবেনা এমন একটি আভাস পাওয়া গেলো। যুদ্ধাপরাধের মামলায় সাইদির স্বাক্ষী সুরঞ্জন বালী গুম নিয়ে বিএনপি সমর্থিত আইনজিবি জনাব মাহবুব এর দৌড় ঝাপ দেখে বিএনপি জামাতে থেকে দুরে সরে যাচ্ছে এটা মনে হচ্ছে না। বরং মনে হচ্ছে বিএনপি সুবিধাবাদী একটি পজিশনে আছে। ঝোপ বুঝে কোপ দিবে আরকি।

বিএনপি কে কি যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে ঐকমত এ আনতে পাড়তো না সরকার। যা এই বিচার প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ন ঝামেলা মুক্ত করতো। আর জনগনের মধ্যে এ আশংকা হতো না যে, সরাকার পরিবর্তন হলে রাযও পরিবর্তন হবে। সরকার এ কাজটি করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে আজ জামায়তের সাথে বিএনপি যুদ্ধাপরাধ নিরপেক্ষ নয় বলে সুর তুলতে পারছে।

জামায়ত আর বিএনপিতে যুদ্ধাপরাধী রয়েছে আওয়ামীলিগে নেই। অবশ্যই আছে। বিএনপি কে সাথে নিয়ে যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হতো তাহলে জামায়, বিএনপি, আওমীলিগ আরো যেসব দলে যুদ্ধাপরাধীরা আছে দলমত নির্বিশেষে ধরা যেতো। বিএনপি যুদ্ধাপরাধ বিচারে সংশ্লিষ্ট নয তাই যখন বিএনপির আলীম কে যুদ্ধাপরাধ মামলায় ধরা হল তখন বিএনপিতো ভাবতেই পারে এটা নিরপেক্ষ নয়। কারন আওমিলীগ এর রাজাকারদের এখনো ধরা হয়নি। খোদ প্রধানমন্ত্রীর মেয়র শশুরবাড়ীর লোকই ছিল রাজাকার।

দলমত নির্বিশেষে দেশকে রাজাকার মুক্ত করতে হবে। এটা ভাবলে হবে না যে শুধু মাত্র জামাত এর মধ্যেই সব রাজাকার। একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে আমি অবশ্যই চাই যে সকল যুদ্ধাপরাধীর কারনে আমার ভাই আমার চাচা শহীদ হয়েছে তাদের বিচার হোক। তবে আওযামী লিগের রাজনৈতিক ফয়দা হাসিলের তরিকায় নয়।

কোন বিশেষ ধর্ম বা ধর্ম কেন্দ্রীক লোকই কি কেবল রাজাকার বা পাকিস্থানের সহযোগী ছিল? এইতো সেদিন তেমন একজন রাজকারকে নিযে বিতর্ক সৃষ্টি হলো। পাকিস্থান থেকে তাকে বাংলাদেশে লাশ আনার বিষয়ে। ধর্মনির্ভর রাজনৈতিকদলগুলো ব্যক্তিগত কার্যক্রম এর উপর নির্ভর করো কোন গুষ্টি বা তার কোন সংস্কুতিকে ছোট করা উচিত নয়। ইসলাম মানে জামায়াত নয়। কেউ দড়ি রাখল, টুপি পড়ল, নামাজ রোজা করল, নিজেকে মুসলিম ভাবলো পাশাপাশি সে আওযামীলিগকে ছাত্র লীগকে অপছন্দ করল বর্তমান সংগায় সে রাজাকার। এটা কি ঠিক।

কেউ শেখ মুজিবকে ভাল বাসলো তাই সে আওয়ামীলিগ
কেউ জিয়াকে ভাল বাসল সে কি বিএন.পি
কেউ ইসলামকে ভাল বাসল তাই বলে কি সে জামায়াত। এটা ঠিক নয়।

পুলিশ মসজিদের সামনে থেকে দাড়ি টুপির লোক ধরে নিয়ে যাছ্চে। যার সাধারন মুসল্লি। কেন? যারা তাদের উপর চড়াও হয়েছে তারা কি এখনো বসে আছে ধরা দেবার জন্য। সাধান নামাজির উপর কেন অজথা সন্দেহ। অজথা হয়রানী।

আসলে ঐক্যমতের ভিত্তিতে কোন কাজ না করলে এই হয়। ল্যাজে গোবরে অবস্থা হয়। জাতীয় ইস্যুতে সবাইকে এক্যমত থাকতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এটা জাতিয় ইস্যু । এখানে বিএনপিকে রাখলে সরমে হলেও বিএনপি রাজাকারের এর সংগ ত্যাগে বাধ্য হতো। বিচাররো সুষ্ট হতো। আসামী পক্ষের স্বাক্ষীকে আর গুম করা লাগতো না। এই কাজটি করে সরকার এ মহত উদ্যোগটিকে বিতর্কিত করে ফেলল। জামায়তো এটার পুরো ফয়দা নিবেই আর বিএনপি কি বসে থাকবে? আন্তর্জাতিকভাবেও এটা নিয়ে শুরু হবে কিছ্চা কাহিনি। দেশে চলবে দাংগা হাংগামা । যা অলরেডি শুরু হয়েছে।

তাই যুদ্ধাপরাধের বিচারকে সুষ্ট করতে সরকারের উচিত হবে রিরোধী দলকে সাথে নিয়ে ষুষ্ট তদন্তে ভিত্তিতে এই কাজকে তরান্বীত করা। বানানো স্বাক্ষী দিয়ে নয় দেশে হাজারো চাক্ষুস স্বাক্ষী আছে তাদের দিয়ে প্রমান করুন। নিজেদের বুদ্ধিতে একপেশী সিদ্ধান্ত নিয়ে এই কাজটিকে হুমকির সম্মুক্ষিন করবেন না।
এটা আপনারা শুরু করেছেন ক্রেডিট আপনাদেরই জেনো থাকে সে চেষ্টা করুন।

মনে রাখবে ন শক্তিতে নয় বিচার বুদ্ধিখাটিয়ে ঐক্যমতের ভিত্তিতে ন্যয়বিচার প্রতিষ্ঠায় এগিযে গেলে আল্লাহ বিজয়ী করবেনই। কারন আল্লাহ বলেন-
সত্য সমউজ্জল
মিথ্যা বিলুপ্ত
কারন মিথ্রাতো বিলুপ্ত হবারই। (আল কোরআন)