ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

গত ২২/১২/১২ ইঙ তারিখে কালেকন্ঠে যুবক সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়-
যুবক কমিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, আবেদনে যুবক গ্রাহকদের অর্থে-স্বার্থে গড়ে তোলা সম্পদ জেনেশুনে যারা কিনেছে, তাদের অপরাধমূলক কাজের ইন্ধনদাতা হিসেবে উল্লেখ করে সেই ক্রেতা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পরামর্শও দিয়েছে যুবক কমিশন।

এতে যুবকের সম্পত্তি যারা কিনেছে তাদরে বিরুদ্ধে মামলা করে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো কথা বলা হয়েছে। অবশ্য এখানে যারা যুবকের সম্পত্তি জবর দখল করে লুটেপুটে খাচ্ছে তাদের কথা বলা হয় নি। যদিও ধানমন্ডির বাড়ির বিক্রি করা হয়েছে তথ্য দেযা হয়েছে কিন্তু কারা কিনেছে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। অথচ ইঞ্জি: শরিফুল ইসলামের নাম ঠিকই উল্লেখ করা হয়েছে। যিনি মেঘনা সী ফুডস আর বীচ হ্যাচরী ক্রয় করেছেন। এই আবেদনে বলা হয়নি আর.টি.ভি দখলদার বেংলগ্রুপের কথা। তারা কিভাবে সদস্যদের টাকায় গড়া আর.টিভি লুটে নিল। দেখা যাছ্চে কমিশন কিছু তথ্য চেপে যাচ্ছেন। প্রভাবশালীরা যেসব লেন-দেনে জড়িত তাদের নাম বা তথ্য প্রকশা করছেন না বা সে সম্পর্কে কোন মন্তব্য আবেদনে নেই।

অথচা তারা জানেন এসব সম্পত্তি যুবকের বেদখল। এই খবরেও তাই প্রাকাশ করা হয়েছে-
আরটিভি, বিকে টাওয়ার, টেলিবার্তা, যুবক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, কাঁচপুরের জমি, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি, জেকে হ্যাচারি, পুরানা পল্টনের রহমত মঞ্জিল বাড়ি, তেজগাঁওয়ের বাড়িসহ বিভিন্ন সম্পত্তি যুবকের দখলে/ মালিকানাধীনে না থাকা সত্ত্বেও এগুলো থেকে কোটি কোটি টাকা আয় দেখানো হয়েছে, যা কল্পনাবিলাসী, ভুয়া ও প্রতারণামূলক।’

আর.টিভি বেংগল গ্রুপ ছলেবলে কলে কৌশলে যেভাবেই হোক দখল করেছে। প্রভাব খাটিয়ে হোক বা ক্রয় করে। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী যুবক সম্পাত্তি যারা ক্রয় করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলে আর.টিভির দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা হবার কথা। যদিও কমিশন এখানে তাদের দখলদারের কাতারে ফেলেছেন। যাই হোক কমিশণ যদি মামলা করে আর.টিভি উদ্ধার করার পথ পরিষ্কার হবে। আর.টিভি বর্তমানে রানিং লাভজনক একটি সম্পত্তি। এটি উদ্ধার হলে গ্রাহকদের পাওনার বিপরিতে এর শেয়ার প্রদান করে দায় শোধ সম্ভব হবে বলে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা মনে করে।
তবে শংকার কথা এই যে, প্রভাবশালীদের মুখোশ খুলে তাদের আইনের কাঠগড়ায় আনতে পারবেতো কমিশণ? RTV কি আদো উদ্ধার করা সম্ভব হবে?