ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

৭১ এর মানবতা বিরোধীদের বিচারের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আজ তারই ধারবাহিকতায় ট্রাইবুনাল একটি রায় দিয়েছেন। আবুল কালাম আজাদ যিনি কিছুদিন আগে চুপিচুপি দেশত্যাগ করেছেন। তার অনুপস্থিতিতে বিচারকার্য চলে। অবশেষে আজ ফাসিঁর রায় হয়। ট্রাইবুনালের এটাই প্রথম রায়। যা ট্রাইবুনাল -২ দিযেছেন। রাযের প্রতিক্রীয়ায় সরকারী দল খুশি। কিন্তু বিরোধীদল খুশি হননি এটা বলা যায়। তারা এ বিচারকে প্রহসনের বিচার বলে অবিহিত করেছেন। কাদরে সিদ্দিক,আসম আ.রব মত মুক্তিযুদ্ধারা আজ এবিচারে সন্তুষ্ট নন। মুক্তিযুদ্ধ কারো বাপদাদার একার সম্পত্তি নয়। বাংলাদেশের সকল নাগরিকের গর্ব। এ যুদ্ধে সবাই কমবেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যারা এ যুদ্ধে বিরোধীতা করেছে মানবতা বিরুদ্ধে অবস্তান নিয়েছে তার একটা রায় হলো অথচ দলমত নির্বিশেষ তা গ্রহনযোগ্যতা পাচ্ছে না। এটা সত্যই লজ্জাকর।

কিন্তু কেন এই মত বিরোধ। মুক্তিযুদ্ধতো সবাই দলমত ভুলে একাসাথে করেছে। এর কারন হিসেবে বিচারটির রাজনৈতিক প্রভাবদুষ্টতাই দায়ী। স্কাইপি কেলেংকারী তা আরো প্রকট করেছে। বিচারটা হওয়া দরকার ছিল সরকারীদল -বিরোধীদলের সক্রীয় অংশ গ্রহনে। এখন বিচারটি চলছে একতরফা। আজ যদি সরকারীদলের রাজাকারদের মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচারের কাঠগড়ায় দারকরানো হতো তাহলে এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিত না। বিচার বা রায়কে কেউ প্রহশন বলত না। এ ব্যর্থতা পুরোটা সরকারের।