ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

 

সত্যই আল্লাহ আমাদের ভালই একটা মওকা দিয়েছে। ভারতকে বাঁশ দেয়ার। এখন আমাদের টাইগাররা যদি একটু বেটে বলে নিজেদের শক্তির প্রকাশ ঘটাতে পারে তবেই স্বপ্ন পুরন। পেপসি কোম্পানীরা আমাদের ছোট করে ভারতের তাবেদার হয়ে যতই বিজ্ঞাপন বানানোর বানাক না। মওকা ভারতের না মওকা হলো বাংলাদেশের। বাংলাদেশ এই প্রথম বিশ্বকাপের কোয়াটার ফাইনালে। প্র্র্র্র্থম মওকা। আল্লাহর রহমতে যদি ভারতরে ঠিকমত বাঁশ টা দেয়া যায় তবে বাংলাদেশের মওকাই মওকা। তাই কে কি বলল বা করল তা নিয়ে না ভেবে এগিয়ে যেতে হবে সম্মুখ পানে। এটা আমাদের যুদ্ধ। অস্রের নয় খেলার। তাই জাতীয় কবি বিদ্রোহী কাজী নজরুলের লেখা আমাদের রণ সংঙ্গীত টি চলুন সবাই মিলে গাই—————————
চল চল চল …….উদ্ধগগনে বাজে মাদল………অরুন পাতের তরুন দল………….…..চলরে চলরে চল।

আজ ভারতের মতো একটি রাষ্ট্র আমাদের নিয়ে ভাবছে বা ভাবতে হচ্ছে বা আমরা তাদের ভাবাতে বাধ্য করতে পেরেছি এটাই আমাদের বড় অর্জন। আর এই অর্জন কে আরো বাস্তবসম্মত করার জন্য আমাদের টাইগারদের দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে নিজেদের সেরাটা দিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। এই মওকাকে আমাদের যে করেই হোক কাজে লাগাতে হবে। তবেই ওদের মওকা সাপে বড় হয়ে আমাদের মওকা হয়ে যাবে। এগিয়ে চল মাশরাফি! এগিয়ে যাও তোমার দল নিয়ে। বাংলাদেশের সকল মানুষ তোমার সাথে। জবাব দাও ওদের বিদ্রুপের। উপযুক্ত জবাব। দেখিয়ে দাও বাংলাদেশ কে কেউ স্বাধীন করে দেয়নি। বাংলাদেশ আপন শক্তিতেই উজ্জল।

৭১ এর কথা বলে ওরা নিজেদের ছোট করছে। আমরা তাদের অনেক বড় আসনে বসিয়েছি। তারা আমাদের বিপদে সহযোগীতা করেছিল। তাদের সেনারা আমাদের দেশের জন্য জীবন দিয়েছিল। এটা সত্য। একজন প্রকৃত বন্ধু কি আরেক জন বন্ধুর প্রয়োজনে সহযোগীতা করে না। কিন্তু যে সত্যই প্রকৃত বন্ধু সে কোনদিন তার উপকারের ঢোল পিটায় না। স্বার্থান্বেশীরাই এমনাটা করে। আমার আশা করি আমাদের প্রতিবেশী দেশ এমন করা থেকে বিরত থাকবে। কারন ৭১ আমাদের আবেগের জায়গা। এখানে কেউ আঘাত করলে এ দুনিয়াতে সে যত বড়ই রাঘব বোয়াল হোকনা কেন এদেশের জনগন তাকে ছেরে দিবে না। ৭ ই মার্চের ভাষনে বঙ্গবন্ধু একটা কথা আমার খুব মনে লেগেছে…………..বাঙ্গালী এখন মরতে শিখেছে………….দাবায়ে রাথতে পারবানা।