ক্যাটেগরিঃ দিনলিপি

 

১০ মে মা দিবস। মা তোমায় জানাই হাজারো সালাম। সবসময়ের তরে।সালাম জানাই-প্রতিটি দিবস- রজনী। কোন দিবসের ফ্রেমে তোমার মহিমাকে আটকে রাখা যাবে না। তোমার তুলনা মাগো তুমি।

আমার মা ছিল আমার ঢাল। সেই ছোট বেলায় বাবার শাষনে আমি যখন কাবু তখন আমার ঢাল ছিল আমার মা। আমি মায়ের খুব নেওটা ছিলাম। আমি অনেক কিছু খাইনা সেই ছোট বেলা থেকেই। মাঝে মাঝে বাবা আমার না খাওয়া অপছন্দের কোন খাবার আমাকে জোড় করে খাওয়াতেন। সে সময় মা এর বদৌলতে রক্ষা পেতাম। আমি খাবারটা মুখে নিয়ে রেখে দিতাম আর সুযোগ বুঝে মায়ের আচলে ফেলে দিতাম বাবার কটমটে চোখ এড়িয়ে।

মা আমার প্রথম শিক্ষক। তার কাছেই আমার আলিফ- বে, এবিসি আর অ-আ হাতে খড়ি। বাবার কাছে পড়াশুনা মানেই উত্তম মধ্যম। এ সময় মাই আদর করে পড়তে শিখিয়েছে। লিখতে শিখিয়েছে। সকালে উঠৈ যখন মক্তবে যেতাম মা দোয়া পড়ে গায়ে ফু দিয়ে দিতেন। এখনো মা কোথায় যাওয়ার সময় দোয়া পড়ে ফু দিয়ে দেন। মাযের কাছে যত ঋণ আমার।

সেই ছোটবেলা থেকেই মা ই আমার একমাত্র দুনীয়া। তার কাছ থেকে তাই কখনো আলাদা হইনি। আমার ছোট ভাই এর বাসায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমি তার সাথে ছিলাম। যা আমার অন্য ভাইদেরক্ষেত্রে হয় নি। এটা আমার সৌভাগ্য। কিন্তু এ সৌভাগ্য পেয়েও তার যথাযথ খেদমত আমি করতে পারিনি। এ দু:খ আমার আজীবন রয়ে যাবে। আজ মা অসুস্থ। মাযের পেটে টিউমার হয়েছে। রক্তশূন্যতা দেখা দিয়েছিল কিছুদিন আগে । হাসপাতালে তিন ব্যাগ রক্ত দিতে হয়েছে। হাসপাতালে মায়ের পাসে যখন ছিলাম মা তার নিজের অসুখের চেয়ে আমার সু:খ দু:খ আনন্দ বেদনার খোজঁ খবর নিতে বেশী ব্যতিব্যস্ত ছিলেন। আমার অন্য ভাই বোনদের বেলায় কেমন জানিনা তবে মা আমার প্রতি অতিরিক্তমাত্রায় কনসার্ন।

মায়ের ভালোবাসা আর স্নেহের পরষে রাখার জন্য আল্লাহকে হাজার শোকর জানাই । মা তুমি ভাল থেক। সুস্থ্য হয়ে উঠো । মহান আল্লাহর দরবারে এই দোয়া করি।………………………….

হে আল্লাহ! রহমানুর রাহিম! তুমি তোমার অপার করুনা ধারা আমার মায়ের উপর বর্ষন কর। তাকে সুস্থ্য রাখ। হায়াত বাড়িয়ে দাও। সবারা কাছে আমার মায়ের জন্য দোয়া চাই।

মা -বাবাকে সবাই ভালবাসবেন ভাই। তাদের স্থান বৃদ্ধাশ্রম নয়। আপনাদের মনে তাদের স্থান দিন। তাদের যত্ন নিন। হেলায় অমূল্য রত্ন হারাবেন না। তাদের জন্য দোয়া করুন।
রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানী সাগিরা
মা……………………….
ওগো আমার জম্মদাত্রি মা
জোৎস্না রাতের চন্দ্রীমা,
অমিয় সুধায় ভরা
স্নেহ মায়া-মমতার অকৃত্তিম বন্ধন,
মহাবিশ্বের অগনিত গ্রহ তারা নীহারিকায়
একমাত্র তুমিই প্রিয় বান্ধব, আমার আপনজন।
ছেলেবেলায় তোমার আচঁলে জড়াতাম
গায়ের সুমিষ্ট খোশবু আহরনে
কত যে মমতা, কত যে নিরর্ভশীলতা
মায়ের স্নেহের আলিঙ্গনে।
ওগো আমার সুখ শান্তির দিশারী মা
জান্নাতুল ফেরদৌস তব চরনপরে,
অমূল্য রতন তুমি আল্লাহর মিষ্টিমধুর দান
প্রতিটি বান্দার তরে।
জগতের যত রুপ, সৌন্দর্য ভালবাসা
তোমাতেই হেরিলাম
মা! ওগো করুনাদাত্রী,
তোমার তরে অফুরন্ত ভালবাসা, আন্তরিক সালাম।
দিবস জামি তুমিই সেবিয়াছ
মুমর্ষু যেবা সন্তান
হে মহিয়সী! ধরাধামে তুমিই আশ্রয়
তুমিই যত কল্যান।
ওগো মা! আমার সারাজীবনের পীর
তোমার তুলনা শুধুই তুমি,
তোমার কারনে চিনেছি আল্লাহ
চিনেছি নবি, চিনেছি জম্মভুমি|