ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

কেন বলতে পারেন? আমাদের বিজিবি সদস্যকে মায়নামারে আটকে রাখলো। পতাকা বৈঠকে বলল ছেরে দিবে। এখনো দেয় নাই। গাফলতি করছে। অথচ সরকার একটা পতাকা বৈঠক করেই যেনো দায় শেষ করে বসে আছে। ২০০০ সালে এই মায়নামার আমাদের হাতে ভালোই হেনস্তা হয়েছিল। সেই সামরিক বাহীনি এখনো আছে আমাদের । তবে কেন তাদের হেলাচিন্তা উপেক্ষা আমরা সহ্য করছি? আমাদের বিজিবি সদস্য অন ডিউটিতে ছিলো। আামাদের সিমানার মধ্যে ছিল। তার কি অপরাধ? কেন তাকে ধরে নিয়ে যাবে? এত সাহস কোথা থেকে পেল মায়নামার? সবচেয়ে বড় কথা সরকার নিরুত্তাপ কেন এ বিষয়ে? কেন কোন কঠোর হুশিয়ারী নেই। সরকার কি পাড়তো না মায়নামার এর কুটনিতিক কে ডেকে তাকে শোকজ করতে? সরকার কি তবে মায়নামারকে ভয় পাচ্ছে কোন কারনে? যদি তা না হয় বলতে হয় সরকারের কুটনৈতিক বিভাগ বড়ই দূর্বল। ভারতের মোদীি সাব এলেন তাকে খুশি করেই তারা যদি ভাবা শুরু করেন তাদের কুটনৈতিক প্রজ্ঞতা অসাধরন তা হবে বোকামী। রেহিঙগা ইস্যুতে সরকার থেকে বলা হয় মায়নামারের পক্ষে সেখানে রেহিঙ্গা নির্যাতন হচ্ছে না। কেন রে ভাই কেন সরকার মায়নামারকে তেল মারছে? আর মায়নামার এ সুযোগে আমাদের মান ইজ্জত নিয়ে ভলিবল খেলছে। একটি স্বাধীন দেশের একটি বাহীনির সদস্যকে এভাবে ক্রিমীনালদের মতে হাতকরা লাগিয়ে বেধে রেখে মায়নামার আমাদের পুরো জাতিকে অপমান করেছে। যে সময় ভারত কে ক্রীকেট খেলায় আমরা অসাধারণ কৃতিত্বের সাথে হাড়াচ্ছি। আমার বিশ্বে আমাদের তুলে ধরার চ্ষ্টো করছি তখন আমাদের উপর মায়নামারের এ ন্যাক্কার জনক উস্কানীি মুলক কর্মকান্ডে সরকারের নিরবতায় সত্যই হতবাক বাংলাদেশের মানুষ। আজ শুনলাম আব্দুর রাজ্জাক নামের ঐ বিজিবি সদস্যকে নাকি বিচার করে ফিরত দিবে। কিসের বিচার? কোন অপরাধ তার? ………….সরকারের উচিত এখনই এই বিষয়ে কঠোর কোন ব্যবস্থা নেয়। তা না হলে এ বিজিবি সদস্যের বিচার হবে বাংলার মানুষের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি আর চরম লজ্জার।