ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

ইদানিং ব্লগে আর ফেসবুকে ইসলাম ধর্মকে হেয় করার প্রতিযোগিতা যেনো শুরু হয়েছে। যা সত্যই দুঃখজনক। ইসলাম এমন একটা সার্বজনীন ধর্ম যারা এর ছায়াতলে এসেছে শুধু মাত্র তারাই নয়, যারা একটু বিবেকবান, জ্ঞান বান, যে ধর্মেরই হোন না কেন তারাও এর প্রতি যুগে যুগে শ্রদ্ধাপ্রদর্শন করেছেন। বিশেষ করে ইসালামের নবী মুহাম্মদ সা: আর পবিত্র কুরআন নিয়ে যারাই গবেষণা করেছে তারাই বিস্ময়ে হতবাক হয়েছে। অথচ আজ সেই ধর্ম, নবী আর পবিত্র গ্রন্থ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা ধরনের বেয়াদবি আচরণ। অপরিপক্ক কথন। বর্তমানে ইসলাম বুঝার জন্য অনেক বই আর পবিত্র কুরআনের অনুবাদ বাজারে আছে। কেউ কেউ এর দু’একটা পড়েই ভাবছেন ইসলাম সম্পর্কে সব জেনে ফেলেছি। ইসলাম কে বুঝে ফেলেছি। কথা হল ইসলাম বুঝা কি এতো সহজ?

ইসলামকে বুঝতে গিয়ে বিশিষ্ট দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক মুরিস আল বুকাইলি বাইবেল কুরআন আর বিজ্ঞান নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা করেছেন। একসময় তিনি পবিত্র কুরআনের বিস্ময়কর দর্শন আর বিজ্ঞানময়তায় আর্বিভুত হয়ে ইসলাম কবুল করেন। তার লেখা বাইবেল কুরআন আর বিজ্ঞান বইটি বাজারেতো বটে ইন্টারনেটেও পিডিএফ হিসেবে রয়েছে। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন বইটি। সেখানে মরিস বুকাইলি বলেছেন কুরআন নিয়ে গবেষণা করতে যেয়ে তাকে আরবী শিখতে হয়েছে। সাধারণ ইংরেজী অনুবাদের উপর তার আস্থা ছিল না। এর কারণ আরবী ব্যকরণ সঠিকভাবে না জানলে শুধু অনুবাদের উপর ভিত্তি করে গবেষণা করে সঠিক সিদ্ধান্তে আসা যায় না। এ জন্য মূল কে তিনি আকরে ধরে এগিয়েছেন। আর পরিশেষে তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন। এই কিতাবে কোন রকম অসংগতি নেই। যা তিনি পেয়েছেন বাইবেলে ভুড়ি ভুড়ি। এখন কথা হল সাধারণ অনুবাদ পড়ে যারা বলে, কুরআন এমন, রসুল এমন তেমন, তাদের নিজেদের মনগড়া বুজ নিয়ে কুরআন আর নবী তথা ইসলামের সমালোচনা করা যুক্তি যুক্ত কি? নিজে আরবী পড়ে কুরআন বুঝে ব্যাখ্যার পথে হাটলে ভাল। অন্যের অনুবাদ নির্ভর হয়ে কুরআন বুঝতে গেলে তা সবসময় সঠিক নাও হতে পারে। আবার যখন সেই অপরিপক্ক বুঝটার আলোকে লাগাম ছাড়া একটা মন্তব্য করা হয় তখন শুধু একটি ধর্মকেই ছোট করা হয় না। ছোট করা হয় একটি জাতি গোষ্ঠিকে। আর এতে দেখা দেয় নানা হানাহানি নৈরাজ্য।

ইসলাম সম্পর্কে জানা এবং তার যৌক্তিক সামালোচনা করার অধিকার সবার আছে। তবে তা হতে হবে শালীন আর যথেষ্ট গবেষণা ধর্মী। কারণ ইসলাম কোন ঠুনকো বিষয় নয়। হালকা ভাবে মশকরা বা হাসি ঠাট্টা করার আগে এটা ভাবা প্রত্যেক বুঝদারের জন্য জরুরী । তাই নয় কি? আর কুরআন কে বুঝার জন্য সহজ করে দিয়েছেন মহান আল্লাহ। তাই চিন্তাশিল দের গবেষনার জন্য তিনি আহবান করেন ।
12140733_1143039865735930_5627596240865441173_n

কেউ কেউ বলে আল কুরআনে যৌনতা রয়েছে। যা ছোট্ট শিশুদের কাছে বুঝিয়ে বলা যায় না। তারা কোন প্রশ্ন করলে কি উত্তর হবে তা নিয়ে দ্বিধা দেখা দেয়। তাই তারা ছোট্ট শিশুদের কুরআন পড়তে না দেওয়ার কথা বলছে। এমনকি এ বিষয়ে উদাহরণ দেয়া হচ্ছে যেমন হুর কি গিলবান কি? যদি শিশুরা প্রশ্ন করে কি উত্তর হবে। বা মাসিক কি বা ঋতু কি? এসব যদি প্রশ্ন করে কি উত্তর হবে?

এই প্রশ্নগুলো যারা করছে তারা নিজেদের ভাবনাকে শিশু হিসেবে কল্পনা করে প্রশ্ন দাড় করাচ্ছে। তারা কি প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজার চেষ্টা করছেন? নাকি কল্পিত প্রশ্ন তৈরি করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা করছেন? অথচ তারা বুঝতে পারছেন না যে আদো শিশুরা এইসব প্রশ্ন তাদের মতো এত জটিল ভাবে করে না। বেছে বেছে অন্য প্রসংগ না হুর গিলবান বা ঋতু এসব প্রশ্নই তারা করবে এটা ধরে নেয়া কি ঠিক? আচ্ছা যদি করেও তার উত্তর তাকে ব্যাখ্যা সহকারে না দিলেওতো হয়। তখন হয়তো তারা আবার বলতে পারেন কেন পুরো ব্যাখ্যা দিবেন না; বুঝেছি যৌনতা তাদের জানাতে চান না বলেইতো। তাদের বলছি ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় যে শিশুদের যৌনতা জানানো যায় না বলে তাদের পুরো ব্যাখ্যা দেযা হচ্ছে না। বিষয় হল তারা যৌনাতার ব্যাখ্যা দিলে বুঝবে না এই বয়েসে। বুঝা নিযে সমস্যা । যৌনতা জানানো নিয়ে নয়।

যেমন ধরা যাক একটি নতুন শিশু জম্ম নিল। কেউ কেউ বলল আমরা যা যা খাই তা তাকে খেতে দেয়া হোক। আদো কি কেউ তার নবজাতক কে সে খাবার দেবে। দেবে না । কারণ সে মানব সন্তান হলেও একজন মানবের মত সবধরনের খাবার খেতে পারবে না একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত। তাকে ততটুকু দেযা হয় যতটুকু সে হজম করতে পারে। বিষয়টা আসলে এ জায়গায়। যৌনতা কি যে বোঝে না তাকে ব্যাখা করে যৌনাত বুঝানো দরকার নাই । শিশু যদি বলে হুর কি বা যদি বলে ঋুত কি? তখন যদি বলা হয় ভাল করে পড়াশুনা করে বড় হও। এটা তুমি বড় হরে জানতে পারবে। এভাবে বললে সমস্যা কোথায়? তাকে যদি হুর বা ঋতু কি ব্যাখ্যা করে বুঝানো হয় সে কি বুঝবে বলে মনে হয়? আসলে কুরআন সম্পর্কে যাদের এলার্জি আছে তারা সবসময় নিজেদের ভাবনায় ডুবে এই সব ভাবে। নিজেদের ভাবনা শিশুদের বলে চালিয়ে দেয়। কারণ অপবিত্র জন হুরের ব্যাখ্যা করেছে বেহেশতি পতিতা হিসেবে (নাউজুবিল্লাহ)। অথচ এরা হল একদম পবিত্র। এমন পবিত্র হাদিসে এসছে বেহেশতের কোন হুর যদি দুনিয়োতে উকি দেয় দুনিয়া পবিত্রতায় আলোকিত হয়ে যাবে। আর হুর কিন্তু শুধু স্ত্রী লিংগ নয়। এটা হল বিপরীত লিংগ। নারী পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে। এ বিষয়ে বিষদ ব্যাখ্যাও আছে। শিশুদের তা জানার আপাতত দরকার আছে কি? আসলে যারা নোংরা ভাবনা পোষণ করে তারা মানসিক ভাবে দুর্বল। তাই সব সময় বিপদে পড়ার শংকায় থাকে। হুর সম্পর্কে তাদের ধারনা অপবিত্র আর নোংরা কাজেই তারা শিশুদের কাছে এ প্রশ্ন শুনলে কি বলবে ভেবে আতংকিত থাকে। কিন্তু মোমনিরা সফলকাম। তারা শিশুদেরও বলতে পারে হুর হল পবিত্র। বন্ধুর মত। দুনিয়াতে তোমার বন্ধু আছে না। আল্লাহও বেহেশতে বন্ধু দেবে। এভাবে বললে সমস্যা কোথায়?

পুর্বেও কুরআনকে নানা ভাবে আক্রমন করা হয়েছে। বর্তামানে যৌন বিষয়গুলো নিয়ে ইসলাম, নবী আর কোরআনকে আক্রমন করা হচ্ছে বেশি। কুরআন এই চ্যালেঞ্জ সাদরে গ্রহণ করছে। কুরআনে যৌন বিষয়গুলো এসেছে প্রয়োজনের তাগিদে। মনোরঞ্জনের জন্য নয়। তাই কুরআন স্পষ্ট ভাষায় সত্য কথাগুলো বুঝদারদের জন্য বলছে যারা বিশ্বাসী। কুরাআনে উল্লেখিত যৌন বিষয়ের গুরুত্ব যারা বুঝদার তারাই বুঝতে পারবে। কারণ কুরআন সুরা বাকারার শুরুতে চ্যালেঞ্জ করে বলেছে এতে কোন অসংগতি নাই। আর এটা মুমিনরাই বুঝতে পারবে অর্থাৎ এটা তাদের জন্যই পথ নির্দেশনা। কাজেই যারা পবিত্র কুরআনের যৌনতা সংক্রান্ত পথ নির্দেশ বুঝতে পারছে না তাদের না পারাটাই স্বাভাবিক। কারণ তাদের কাছেতো কোড নাই। যে কোড দিয়ে কুরআনা বুঝা যাবে। আর এ কোড হল বিশ্বাস।
আল্লাহ সুবহানাহু বলেন,
﴿يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مِنْ رَبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِمَا فِي الصُّدُورِ وَهُدىً وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ (57) قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِمَّا يَجْمَعُونَ﴾
‘‘হে মানুষ! তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে এসেছে উপদেশ এবং অন্তরসমূহে যা থাকে তার শিফা, আর মুমিনদের জন্য হিদায়াত ও রহমাত। বল, ‘আল্লাহর অনুগ্রহে ও রহমাতে’। সুতরাং এ নিয়েই যেন তারা খুশী হয়। এটি যা তারা জমা করে তার চেয়ে উত্তম।’’
তিনি আরো বলেন,
﴿وَمَا أَنْزَلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ إِلَّا لِتُبَيِّنَ لَهُمُ الَّذِي اخْتَلَفُوا فِيهِ وَهُدىً وَرَحْمَةً لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ﴾
‘‘আর আমি তোমার উপর কিতাব নাযিল করেছি, শুধু এজন্য যে, যে বিষয়ে তারা বিতর্ক করছে, তাদের জন্য তা তুমি স্পষ্ট করে দেবে এবং এটি হিদায়াত ও রহমাত সে কওমের জন্য যারা ঈমান আনে।’’

মহান আল্লাহ আলেমকে যেমন মদদ করেন তেমন করেন শয়তানকেও। আলেমকে করেন সত্যের দিকে আরো অগ্রসর করার জন্য। আর শয়তানকে করেন তার কুচক্রি জাল আরো বিস্তার করে ধংসের দিকে নেবার জন্য। ফলে শয়তান যে যুক্তিই দাড় করায় তার কাছে তাই সত্য মনে হয়। আর সে আর তার অনুসারীরা এর প্যাঁচে এমনভাবে আটকে যায় যে আর বেরুতে পারে না।

বাচ্চাদের যৌন জ্ঞান শিক্ষার ক্ষেত্রে কুরআন যে নীতি অবলম্বন করেছে তা সত্যই বিস্ময়কর। একদম ছোট বাচ্চা যে সে যৌনাতার বিষয়টি মাথায় আনবে না। কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে এটা আসাটা স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে তাদের এ বাড়ন্ত সময়ে নানা সমস্যা দেখা দেয়। কুরআনা তা অনুধাবন করেই তাদের জন্য সুরা নুরে বলেছে………

30 ) Tell the believing men to lower their gaze (from looking at forbidden things), and protect their private parts (from illegal sexual acts, etc.). That is purer for them. Verily, Allâh is All-Aware of what they do. (মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাজত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।)

31 ) And tell the believing women to lower their gaze (from looking at forbidden things), and protect their private parts (from illegal sexual acts, etc.) and not to show off their adornment except only that which is apparent (like palms of hands or one eye or both eyes for necessity to see the way, or outer dress like veil, gloves, head-cover, apron, etc.), and to draw their veils all over Juyubihinna (i.e. their bodies, faces, necks and bosoms, etc.) and not to reveal their adornment except to their husbands, their fathers, their husband’s fathers, their sons, their husband’s sons, their brothers or their brother’s sons, or their sister’s sons, or their (Muslim) women (i.e. their sisters in Islâm), or the (female) slaves whom their right hands possess, or old male servants who lack vigour, or small children who have no sense of the shame of sex. And let them not stamp their feet so as to reveal what they hide of their adornment. And all of you beg Allâh to forgive you all, O believers
(ইমানদার নারীদেরকে বলুন তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাজত করে। তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথায় ওড়না বক্ষদেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে, স্ত্রীলোক অধিখারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ ও বালক, যারা নারীদের গোপন অংগ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদরে ব্যাতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোড়ে পদচারনা না করে। মুমিনগন তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।)

এ দুটি আয়াতের ব্যাখ্যা যদি আমাদের কিশোর কিশোরীদের ভালভাবে বুঝানো যায়। তাহলে তাদের মাঝে যৌন সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। বয়স্বন্ধিকালের ছেলে-মেয়েরা যদি কুরআন এর সচেতনতা মুলক উপদেশ বানীকে ভালোভাবে বুঝে আমল করে তবে তারা কোনো সমস্যার সম্মুক্ষীণ হবে ন। সুরা নূরের এ দুটি আয়াতে যে ভাবে মোমিন নারী আর পুরুষকে স্পষ্টভাবে তাদের শারিরীক গঠন প্রনালীর প্রতি নজর রেখে যে বিজ্ঞান সম্মত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা সত্যই শুধু কিশোর কিশোরীই নয় প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এতো শালীন ভাবে এত সুন্দর উপদেশ বানী একমাত্র স্রষ্টার পক্ষেই দেয়া সম্ভব। ১৪০০ বছর আগের পবিত্র কুরআনে এতো সুন্দর বৈজ্ঞানিক ত্তত্ব সত্যই বিষ্ময়কর।

এ আয়াতের কোথাও কি যৌন সুরসুরি দেওয়া কথা আছে? যতটুকু না বললেই নয় ঠিক ততটুকুই বলা হয়েছে। অথচ শয়তানি চক্র এ পবিত্রতার মাঝেও শয়তানি তালাস করছে। আসলে সমস্যতো চোখে। দৃষ্টি ভংগিতে। সারক্ষণন শয়তানি যার কাজ সে তা ছাড়া আর বুঝেই কি? বেগানা নারী পুরুষ অবাধ মেলা মেশা তাদের কাছে মনে হয় কিছুই না। স্বাভাবিক বিষয় মনে হয়।

একটা কৌতুক শুনেছিলাম অনেক আগে। এক লোক শরীরের যে অংশেই হাত দিয়ে টিপ দেয় তখনই ব্যাথা পায়। সে ডাক্তারের কাছে গেল। ডাক্তার তাকে ভাল করে দেখে বলল, আপনার কোথায় ব্যাথা লাগছে একটু দেখান।
কি বলব স্যার! সারা শরীরে ব্যাথা। এই যে মুখে টিপ দিলাম ওমা কি ব্যাথা। এই যে পেটে টিপ দিলাম ব্যাথা।
আচ্ছা এবার আমি একটু টিপে দেখি। এই বলে ডাক্তার রোগীর গালে টিপ দিল। কি ব্যাথা লাগে?
না।
এবার পেটে টিপ দিল? কি ব্যাথা লাগে?
না।
আপনার রোগ আমি ধরে ফেলেছি। দেখিতো আপনার হাতটা। এই বলে ডাক্তার রোগীর হাত ধরে একটি টিপ দিলেন।
রোগী সাথে সাথে চিৎকার করে কেকিয়ে উঠল। ও মাগো। মরে গেলাম গো।

মিষ্টি হেসে ডাক্তার বললেন জনাব আপনার সমস্যা হলো হাতে সারা শরীরে না । ব্যাথা যুক্ত হাত নিয়ে যেখানেই টিপ দিচ্ছেন আর ব্যাথা পাচ্ছেন।

শয়তানী চেলাদেরও এই অবস্থা। অবাধ যৌনাচার আর মেলামেশা করে তারা নিজেদের লাইফ স্টাইলকে এমন অপবিত্র বানিয়ে ফেলেছে যে, এখন পবিত্র কিছু আর দেখতে পায়না । সবা জায়গাতে অপপবিত্রতা খুঁজে পায়। নিজেদের মনের মাধুরী মিশিয়ে কুরআনের পবিত্র আয়াতগুলোর অপব্যাখ্যা করে যায়। অথচ তারা না জানে আরবী ব্যাকরণ না জানে কুরআন পড়তে। তারা শুধু অন্যের করা অনুবাদ আর অনুমানের উপর ভিত্তি করে কথা বলে।