ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

কজন অল্প বয়সি তরুন। ঠিক ভাবে দাড়ি মোছও গজায় নি। এরাই নাকি জঙ্গী। হায় আল্লাহ! এরাই ঘটিযে ফেলল এমন তুলকালাম কান্ড। এ কি রকম ব্রেন ওয়াশ। কি তার গ্রহন ও বাস্তবায়করার ক্ষমতা। কথা হল কেন জঙ্গী হিসেবে তরুনদের বেছে নেয়া। যারা সবে মাত্র দুনিয়ার রং রুপ দেখা শুরু করেছে। না ফোটা ফুলের কলিগুলো ফুটার আগে কোন কারনে নষ্ট হয়ে ঝড়ে যাচ্ছে। কারা এদের নষ্ট করছে? কেন করছে? ভুল বুঝিয়ে তাদের বিপথে পরিচালিত করছে। অথচ এই প্রান শক্তি যদি আজ দেশের মংগলের জন্য খরচ হতো কত ভাল হতো। তারুন্য আজ কাদের গুটিতে পরিনত হচ্ছে? তাদের প্রান শক্তিকে কারা বিপথে চালিত করছে? এসব প্রশ্নগুলোর আজ উত্তর খোজতে হবে সবার আগে। গদ বাধা আমাদের একটা উত্তর সব সময় তৈরি তা হল এসব বিরোধীদের কাজ। এরাই জঙ্গী তৈরি করে। এমন হালকা উত্তর আমাদের দেশে সত্যিকারের জঙ্গী পৃষ্ঠপোষকদের আড়াল করে রেখেছে। আমরা গভীর ভাবে তাই বিষয়টি নিয়ে কেউই ভাবিনি। কি সরাকারী দল কি বিরোধী দল। রাজনৈতিক খেলা করছি শুধু। আজ দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আজ ভাবতেই হবে। নয়তো এদেশ অকার্যকর দেশে হয়ে যাবে পাকিদের মতো। আজ ৭১ টিভিতে একটক শো তে দেখলাম একজন মনোবিজ্ঞানী হবেন হয়তো….মাঝখান তেকে শুনেছিতো তাই পরিচয়টা ঠিক বুঝতে পারলাম না , যাক যা বলছিলাম তার কথার সারমর্ম হল- তরুনরা নষ্ট হচ্ছে পরিবারের অবহেলার কারনে। পরিবারে সন্তানদের নানা সময় নানা ভাবে হেয় করা হয়। বলা হয় তুই কোন কাজের না। তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। এই তরুনরা তখন কিছু করার জন্য চেষ্টা করে। আর এ সুযোগ নেয় জঙ্গী গডফাদাররা। তাই পরিবারকে সচেতন হতে হবে। তার বিশ্লেষন সত্যই ভেবে দেখার মতো।

আরেকটি গদবাধা কথা হল জঙ্গী তৈরির জন্য ধর্মই দায়ী।সত্যই কি তাই। ধর্ম যেমন আছে তেমন বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনও কি সমান দায়ী নয়? বাম দলগুলো শোষিত নিপিরিত জনতার অধিকার আদায়ের কথা বলে ঠিক এভাবে কি তরুনদের ব্রেন ওয়াশ করেনি? আসলে তরুন মন থাকে কাচা মাটির মতো তাকে খুব সহজে প্রভাবিত করা যায়। তাই সুবিধাবাদী গুষ্ঠি তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য যুগে যুগে তাদের কাজে লাগায়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গুলাশনের ট্রেজিডির জিম্মি নাটক হয়তো বাংলাদেশে প্রথম। কিন্তু একসাথে এতোগুলো হত্যাকান্ড নতুন নয়। ৭৫ এর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ট্রেজিডি ছিল এর চেয়ে আরো ভয়াবহ ও মর্মান্তিক। সেটার জন্য তরুনরা দায়ি ছিল না। ছিল তৎকালিন সেনাবাহনী। ৭৫ এ কেউ বাচেনি। কিন্তু এবার আল্লাহর অশেষ রহমতে যৌথবাবহীনির সহায়তায় তাদের প্রসংশনিয় সাহসী অভিযানের কারনে কিছু প্রান কে উদ্ধার করা গেছে। এজন্য তাদের জানাই অভিনন্দন। আর শহীদ দুই বীরকে স্যালুট করি। তাদের ত্যাগকে গর্বভরে স্মরন করি।

কি মেধাবী ছেলেগুলো। কিন্তু তা খরচ করল অপাত্রে। এই মেধা আজ খরচ হতে পারতো দেশ ও দশের কাজে। শুধু মাত্র আমাদের একটুকু অসচেতনতার কারনে তরুনরা আজ বিপথগামী। তাই তাদরে মাঝে ব্যাপক কাউন্সিলিং প্রয়োজন। এ বিষয়ে সরাকারী ও বেসরকারী ব্যপক উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে। তাদের জঙ্গী গুষ্ঠির হাতে পড়তে দেযা যাবেনা। তাদের আগেই তরুনদের ব্রেন ওয়াশ করে সচেতন করতে হবে। সুবিধাবাদীরা যদি ব্রেন ওয়াশ করে জঙ্গী বানাতে পারে তবে কেন ব্রেন ওয়াশ করে সুনাগরিক তৈরি করা যাবে না? তাই আসুন তরুনদের বিষয়ে সবাই একটু সচেতন হই। তাদের অবহেলা না করে তাদের মধ্যে কনফিডেন্স বৃদ্ধি করি। তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি হলেই তারা বিপথে যাবে না। আসুদ তাদের অসহায়ত্ব দুর করি। তাদের মাঝে নিজেকে চেনার পথ তৈরি করি। তাদেরকে মানসিক ভাবে চাঙ্গা রাখি। ইনশাআল্লাহ এই ঘোর অমানিশা কেটে যাবে।