ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

যুবক সংক্রান্ত একটা খবর পড়লাম গত কাল প্রথম আলোতে। যুবকের একজনের সাথে এ নিয়ে কথা বলতেই সে যা বলল-
যুবক নিয়ে সরকার পড়ছে ভালই মাইংকা চিপায়। না পারে গিলতে না পারে ফালাইতে। ফাও ফাও সরকার ঝামেলা লাগাইয়া এখনে বেকায়দায়। যুবক গ্রাহকের টাকা নিয়ে সম্পদ করছে। মাইরাতো দেয় নাই। সেই সম্পদ আবার খাইলো সরকারী আমলা আর হুমরচুমরারা লুইটা। এখনো খাইতাছে। তাইলে আত্মসাৎ করলটা কি? পাবলিকের টাকাতো সরকারী পেটে। আর যুবকের দায়িত্বশীলরাতো খালি খালি জেল খাটে। আসল দোষ যুবক কেন ব্যাংক গুলার চাইতেও বেশী টাকা কালেক্ট করছে? আরে হেরা যোগ্য তাই পারছে। দুর্নিতীবাজগুলা ব্যাংকে লুইটা খাইতাছে ওরা যুবকের লগে পারব কিভাবে? যুবক অবৈধ ধুয়া তুলে যে গেনজামের আগুন লাগাইছে সরকার তার তাপে ওরাই না পুড়ে মরে। যুবক অবৈধ হলে বাংলাদেশে কয়টা কোম্পানী আছে বৈধ? সব কোম্পানীরই গোমর আছে। কথায় কয় সব মাছেই গু খায় দোস হয় রাউগা মাছের।

কমিশন হইলো এরপর মন্ত্রনালয়ে ফাইল ঘোরে আরে ঘোরে। পুরাই লাট্টু। এত পথ ঘুইরা সময় ক্ষেপন কইরা প্রধানমন্ত্রী হাত হইয়া এখন দায় দায়িত্ব সব ঘুইরা আবার আইলো অর্থ মন্ত্রনালয়ে। ফাইলের অবস্থান এ্ইটাতো দেখি সৌরজগতের মত হইয়া গেল। খালি ঘুরে আর ঘুরে। দেখা যাক অর্থ মন্ত্রনালয় কি করে। দায দেনা শোধ করতে যুবকের বেহাত সম্পতি অবশ্যই লাগবে। ঐগুলা ছাড়া অর্থমন্ত্রনালয়কে ভর্তুকি দিয়া দায় শোধ করা লাগবে। কারন যুবকের বেশীর ভাগ সম্পত্তিই বেহাত। আর টিভি, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি তো সরকারের সামনেই ভোগ কইরা খাইতাছে লুটাপাট পার্টি। সরকারতো সবইজানে । কিছু করে না কেন ? এমন সম্পদগুলা উদ্ধার হইলে অর্থ মন্ত্রনালয় কিছু করতে পারব। নইলে যে লাউ সেই কদু হইয়াই ঘুরতে থাকব ফাইল সরকারী সৌরজগতে।

যে যাই বলুক যুবক সমস্যার আশু সমাধান প্রয়োজন। আর সময় ক্ষেপন নয়।