ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। হাজার মানুষের রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই দেশ স্বাধীন হয়। ১৯৭১ সালে ১৬ ই ড়িসেম্বর। সালাম-বরকত-রফিক-জব্বার জীবন দিয়ে দেখিয়ে গেলেন দেশের জন্য। এমন কেউ আছে বলে আমার মনে হয় না। বর্তমানে দেশের জন্য জীবন দিবেন। যেমন কী আমিও না। আমাদের দেশে আইন আছে কিন্তুু আইনের প্রচলন ধীর গতি। যেমন: বেশ কিছু দিন যাবত চলছে শিশু ধর্ষন, মানব পাচার, খূন চিন্তাই, সড়ক দুর্গটনা, ইত্যাদি। এই তো বেশ কিছুদিন হল একজন ব্লগারকে দিন দুপুরে কূপিয়ে হত্যা। আসামি হাতেনাতে ধরা পড়লো কিন্তুু আসামির এখনো সাজা হয়নি। পাকা রাস্তা পেয়ে গাড়ির চালকের প্রতিযোগিতা। পেছন থেকে এসে অন্য গাড়ি দিল ধাক্কা, হল একজন নিহত ‘কিন্তুু কেন কে দিবে প্রশ্নের জবাব। গাড়ির চালক নাকি পাবলিক?

সড়ক দুর্ঘটনায় যদি কেউ আহত হয় তাহলে তার বেঁচে থাকার ব্যবস্হা নিবে ক্ষতিপূরন। আর যদি নিহত হন বিশ হাজার টাকা জরিমানা। কারন কেউ দেখে শুনে দুর্ঘটনা করে না। বর্তমানে আমাদের দেশের এটাই আইন। কিন্তুু যে নিহত হয়েছে তার পরিবারের কি হবে সে খবর কেউ রাখেনা। আর দুর্ঘটনায় শুধু ধনী পরিবারের লোক নিহত হয়না। দারিদ্র পরিবারের লোকের ও গাড়ি এক্সিডেন্ট হয়। যার একবেলা ডাল ভাত খেলে আর এক বেলার চিন্তা। যদি এমন এক আইন করা হত -কোন সড়ক দুর্ঘটনায় যদি কোন ব্যক্তির মৃত্যু হয় তা হলে তার পরিবারের আজীবন চালানোর ক্ষতিপূরন দেওয়ার আইন করা হত তাহলে কোন গাড়ির চালক সাহস করতেন না। আর পাকা রাস্তা পেয়ে প্রতিযোগিতা দিতেন না। তদ্রুপ সন্ত্রাসী যে হউক না কেন সাজার পরিমান যদি কঠোর হয় তা হলে অপরাধ করতে সাহস পাবে না।

বাংলাদেশের অনেক অপরাধী জেলখানায়। তা হলে নতুন করে অপরাধীর জন্ম হয় কেন? অবশ্যই অপরাধীর সাজা কঠোর নয় বলে। প্রতিদিন খবরের কাগজে পড়ি এমন একটি দিন নেই খুন চিন্তাই নারী শিশু ধর্ষন হচ্ছে না। এভাবে দেশ চললে একদিন দেখবেন সন্ত্রাসীর দেশে পরিনত হবে। আমরা বাঙালি নুনে-ভাতে খেয়ে শান্তিতে থাকতে পারলে যথেষ্ট। আমরা চাই না কোন মায়ের বুক খালি হউক। আমরা হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ ছাড়া মারামারি হানাহানি ছাড়া সুন্দর একটি দেশ চাই।