ক্যাটেগরিঃ ব্লগালোচনা

 

উষ্ণশীত বললাম কারণ আমি উত্তাপ ছড়াতে পারি না। এতে আমার আগ্রহ যে নেই তা কিন্তু নয়, বরং অভাব রয়েছে উৎসাহের।

আমি হারি বেশী জিতি কম, তবুও খেলি
আমি খুজি বেশী মেলে কম, তবুও চোখ মেলি।
আমি জানি না, কেন যে পারি না, পেতে জীবনেরই স্বাদ
আমি বুঝি না, কেন যে হলো না, পাওয়া সুখ পেলাম যেন বিস্বাদ।
শুধু জীবনে আমার, শুধু হাহাকার
ভূবনে আমি আসলে কার?
হবো না তো পরাজিত, নইতো ভীত
হোক না যুদ্ধ আরও একবার।

নিজের বিষয়ে কি লিখব, ভাবতে গিয়ে মনে পড়ল গানটার কথা! তাই ঘুণ ধরা মস্তিষ্ককে না খুচিয়ে ‘সোজা তুলে এনে বসিয়ে দিলাম’। তবে যুদ্ধ আসলে আমি ঘোষণা করছি না, ওটা ব্যান্ডতারকা হাসানের কাজ!! আমি সম্মানভীরু মানুষ। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ দূরে থাক, রাজনৈতিক বিবৃতির কথা মনে হলেও কলিজা কাপে!! অথচ শখ কিনা ব্লগ লিখব। তবে আমার জন্য আশার কথা, বাংলাদেশীরা মানে আমরা ‘বয়স কম, চয়েস বেশী’ ধরণের অর্থাৎ বাঁচে অল্পদিন কিন্তু অকাজে পটু! এই স্বপ্নে সমাজের স্থুল আর্বজনাসমুহের উপর ‘গরুর রচনা’ লেখার প্রয়াস নিলাম। এতে বাংলাদেশের সোনার ছেলেদের লগি-বৈঠা দ্বারা ‘সম্মানিত’ হওয়ার কোন আশা নেই। আর ব্লগ মডারেটরের রক্ত চক্ষু!! ও ব্যাপার না, উনাকে কানে কানে মনে করিয়ে দিলেই হবে ‘পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা ব্যকরণ বইয়ের জন্য গরুর রচনার বেশ কদর আছে’।
তাইলে কিন্তুক নাইম্যাই পড়ইল্যাম – বিডি ব্লগে, দেখা হবে ‘রাত্রিশেষে’।

বিজ্ঞানের মানুষদের যে কি অসুবিধা! কি অসুবিধা!! পাঠককে একটু সাহিত্যরসের ছোয়া দিতে নিজের মাথায় রীতিমত ‘তেল কুপ’ খনন করতে হয়!! বাংলা পাঠকদের ঢাকার যানজট সহনশীল ধৈয্যের কথা স্মরণ করিয়া, গণতন্ত্রীদের অনুকরণে অন্যের মতামতের তোয়াক্কা না করিয়া, বিডি ব্লগ পাঠকদের পুনরায় উত্তক্ত করিবার শপথবাক্য পুনরায় উচ্চারন করিয়া কলমের মুখ আপাতত বন্ধ করিলাম।